ওজন ঝরাতে চিয়া বীজের জুড়ি মেলা ভার। বলি নায়িকা থেকে সাধারণ মানুষ— ছিপছিপে হতে ভরসা রাখেন এই বীজের উপর। তবে চিয়া যে শুধু শরীরের খেয়াল রাখে, তা নয়। ত্বকের যত্নেও সমান উপকারী ওট্স। ত্বকের জেল্লা আনতে চিয়ার মতো উপকারী জিনিস খুব কমই রয়েছে। ব্রণর সমস্যা থেকে ব্ল্যাকহেডস— চিয়ার গুণেই দূর হবে ত্বকের নানা সমস্যা। তবে চিয়া ত্বকের যত্নে কী ভাবে ব্যবহার করবেন, তা অনেকেই বুঝতে পারেন না। চিয়া আর অ্যালো ভেরা দিয়ে কিন্তু ভাল ফেস মাস্ক তৈরি করা যায়।
ভিটামিন, খনিজ, অ্যামিনো অ্যাসিডে সমৃদ্ধ অ্যালো ভেরা ত্বকের ক্ষত সারাতেও সাহায্য করে। চিয়া বীজও ত্বকের জন্য ভাল। অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট সমৃদ্ধ এই বীজ ফ্রি র্যাডিক্যালের সমতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। ফলে ত্বকে সহজে বার্ধক্যের ছাপ পড়ে না। এ ছাড়াও চিয়ায় রয়েছে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। এই উপাদানটি ত্বকের প্রদাহজনিত সমস্যা রুখে দিতে পারে। ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে এবং কোলাজেন উৎপাদনেও চিয়ার ভূমিকা রয়েছে।
কী ভাবে এই মাস্ক তৈরি করবেন?
উপকরণ:
১ টেবিলচামচ চিয়া বীজ
২ টেবিলচামচ দুধ
১ টেবিলচামচ মধু
১ টেবিলচামচ অ্যালো ভেরা জেল
১ চা-চামচ লেবুর রস
পদ্ধতি:
প্রথমে ছোট একটি পাত্রে দুধ এবং চিয়া ভিজিয়ে রাখুন। যতক্ষণ না দুধে চিয়া ভিজে জেলের মতো থকথকে মিশ্রণ তৈরি হচ্ছে, ততক্ষণ অপেক্ষা করুন। এ বার ওই মিশ্রণে মেশান মধু এবং অ্যালো ভেরা জেল। হাতের কাছে অ্যালো ভেরা গাছ থাকলে টাটকা শাঁসও ব্যবহার করতে পারেন। সব শেষে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে নিন। তবে যাঁদের ত্বক স্পর্শকাতর, তাঁদের পক্ষে লেবুর রস উপযুক্ত নয়। তার পর মাইল্ড কোনও ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। মুখে চিয়া আর অ্যালো ভেরার প্যাক মেখে নিন। মিনিট পনেরো অপেক্ষা করুন। তার পর জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত দু’-তিন দিন মুখে এই প্যাক মাখলে ত্বকের দাগছোপ দূর হবে, ত্বকের জেল্লাও বাড়বে।