উজ্জল লাল, গাঢ় খয়েরি কিংবা ওয়াইন রঙের যেমন আলাদা আবেদন আছে, তেমনই ঠোঁটের রঙের কাছাকাছি শেডের লিপস্টিকও কম জনপ্রিয় নয়। বরং বিগত কয়েক বছরে রূপসজ্জার জগতে এমন ‘ন্যুড’ লিপস্টিকের কদর বেড়েছে। এই ধরনের শেড সাধারণত ঠোঁটের রঙের কাছাকাছি হয়। উজ্জ্বল না হলেও, তার আলাদাই আবেদন থাকে। তবে এমন ন্যুড রঙা বা ঠোঁটের কাছাকাছি রঙের ওষ্ঠরঞ্জনী ব্যবহারেরও কৌশল আছে। না হলে মনে হতে পারে, ঠোঁটে বোধ হয় কিছু পরাই হয়নি।
ঠোঁটের কনসিলার: মুখের অসম বর্ণ যেমন রূপটানে বাধা হতে পারে, ওষ্ঠের ক্ষেত্রেও তাই। কারও ঠোঁট কালচে। কারও আবার ওষ্ঠ-অধরে রঙের ফারাক থাকে। ঠোঁটের কাছাকাছি রঙের লিপস্টিক নিখুঁত ভাবে ফুটিয়ে তুলতে হলে অসম বর্ণকে সমান করতে হবে। সেই জন্য দরকার ঠোঁটের কনসিলার। ঠোঁটের উপর কনসিলারের পরত দিলে, ঠোঁটের অসমবর্ণ ঢেকে যাবে।
লিপ লাইনার: ঠোঁটকে নিখুঁত দেখানোর জন্য দরকার লিপ লাইনারের। কারও ঠোঁট বেশি পাতলা, কারও আবার মোটা। কারও ওষ্ঠে নিখুঁত ধনুকের মতো ভঙ্গিমা নেই। ঠোঁটকে ইচ্ছামতো আকার দেওয়া যায় লিপলাইনারের সঠিক ব্যবহারে। ঠোঁট খুব স্পষ্ট হয়ে ওঠে এতে।
সঠিক রং: ন্যুড শেডেও বৈচিত্র রয়েছে। ত্বকের বর্ণের সঙ্গে কোনটি সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে, তা বোঝা জরুরি। ত্বকের বর্ণ কতটা উজ্জ্বল, হলদেটে বা গোলাপি— তার উপর নির্ভর করে রংটি বেছে নিতে হবে।
ব্রোঞ্জার: লাইনার দিয়ে ঠোঁট আঁকার পরে লিপস্টিক দিয়ে তা ভরাট করতে হবে। তার পরে একটু ব্রোঞ্জারের ছোঁয়া দেওয়া যায় নীচের ঠোঁটে বা উপরের ঠোঁটে নাকের নীচের অংশে। এতে ওষ্ঠাধর দেখায় নজরকাড়া।
চোখের মেকআপ হোক উজ্জ্বল: ঠোঁট-রাঙানি হালকা রঙের হলে, চোখের মেকআপ হোক উজ্জ্বল। রূপটানে ভারসাম্য বজায় রাখা জরুরি।