Advertisement
E-Paper

‘সীতা’র গালে ব্রণ, তবু তাঁর রূপে মুগ্ধ অনুরাগীরা! সৌন্দর্যের মূলমন্ত্র জানালেন সাই পল্লবী

স্বাভাবিক সৌন্দর্যকে গ্রহণ করার প্রবণতা বাড়ছে। সেই তালিকায় অন্যতম নাম, অভিনেত্রী সাই পল্লবী। পর্দায় যেমন, তেমনই ব্যক্তিজীবনেও তিনি খুব কম প্রসাধনী ব্যবহার করেন।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৩ অগস্ট ২০২৬ ১৩:১৪
‘সীতা’ সাইয়ের রূপের রহস্য লুকিয়ে কোথায়?

‘সীতা’ সাইয়ের রূপের রহস্য লুকিয়ে কোথায়? ছবি: সংগৃহীত।

‘রামায়ণ পার্ট ১’-এর বহুপ্রতীক্ষিত প্রচার-ঝলক নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া থাকলেও সীতা ওরফে সাই পল্লবীর রূপের প্রশংসা হচ্ছে অনুরাগীমহলে। সাই পল্লবী যে ন্যূনতম মেকআপের পক্ষপাতী, সে কথা জানেন তাঁর গুণমুগ্ধেরা। একসময় দু’কোটি টাকার বিজ্ঞাপনের সুযোগ ফিরিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। কারণ, ফর্সা হওয়ার পণ্যের প্রচারে নিজেকে যুক্ত করতে চাননি মলয়ালম অভিনেত্রী।

স্বাভাবিক সৌন্দর্যকে গ্রহণ করার প্রবণতা বাড়ছে। সেই তালিকায় অন্যতম নাম, অভিনেত্রী সাই। পর্দায় যেমন, তেমনই ব্যক্তিজীবনেও তিনি খুব কম প্রসাধনী ব্যবহার করেন। নিজের স্বাভাবিক ত্বক, এমনকি মুখের ব্রণ বা দাগও লুকোনোর চেষ্টা করেন না। এক সাক্ষাৎকারে সাই বলেন, ‘‘দর্শক যখন গালে ব্রণসমেতই আমায় গ্রহণ করে নিয়েছে, তখনই আমি বুঝতে পারি, সৌন্দর্য আসলে লুকিয়ে থাকে আত্মবিশ্বাসে।’’ এই আত্মবিশ্বাসই তাঁর সৌন্দর্যের সবচেয়ে বড় রহস্য বলে মনে করেন তিনি।

সাই পল্লবীর রূপের গুণে মুগ্ধ অনুরাগীরা।

সাই পল্লবীর রূপের গুণে মুগ্ধ অনুরাগীরা। ছবি: সংগৃহীত

কেবল ব্রণ নয়, সাইয়ের রোজ়েশিয়াও রয়েছে। চর্মরোগ চিকিৎসকদের মতে, মনে যা চলে, চোখে-মুখে তা-ই ফুটে ওঠে। মানসিক চাপ, রাগ, দুঃখের কারণে ত্বকে প্রদাহ বাড়তে পারে। তার জন্য দায়ী কর্টিসল অর্থাৎ স্ট্রেস হরমোন। যাঁদের আগে থেকেই ব্রণ, এগ্‌জ়িমা, রোজ়েশিয়া, সোরিয়াসিস বা ত্বকের অকালবার্ধক্যের সমস্যা রয়েছে, তাঁদের জন্য কর্টিসল আরও ক্ষতিকর। সমস্যাগুলিকে বাড়িয়ে দিতে পারে। ব্ল্যাকহেড্‌স, হোয়াইটহেড্‌স বা ফুস্কুড়ি মিলিয়ে ব্রণ হয়। কেবল আক্রান্ত জায়গাতেই লালচে ভাব তৈরি হয়। অন্য দিকে, রোজে়শিয়ায় মুখ লাল বা গরম হয়ে ওঠার প্রবণতা থাকে। সঙ্গে পুরো মুখ ফুলে যাওয়া, চোখ লাল হওয়া ও ত্বকের উপর দৃশ্যমান রক্তনালির মতো উপসর্গ দেখা দেয়।

পর্দার ‘সীতা’ সাই পল্লবী।

পর্দার ‘সীতা’ সাই পল্লবী। ছবি: সংগৃহীত

ত্বকের এই সমস্ত সমস্যা মনের উপর উল্টে চাপ ফেলতে পারে। অনেকেই আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেন। ত্বকের দাগছোপ ঢাকার জন্য একের পর এক ট্রিটমেন্ট বা প্রসাধনীর ব্যবহার করে চলেন। অথবা অতিরিক্ত মেকআপে সে সব আড়াল করার চেষ্টা করেন। কিন্তু এখানেই সাইয়ের থেকে শেখার, কী ভাবে তিনি নিখুঁত ত্বকের দিকে না ঝুঁকে, নিজের স্বাভাবিক ত্বককেই ভালবেসে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছেন। যে কারণে বিনোদনজগতের অন্যতম সুন্দরী হিসাবে নামডাক রয়েছে তাঁর। সাই একাধিক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, নিজের চেহারাকে ভালবাসতে শেখাই সবচেয়ে জরুরি। অন্যের সৌন্দর্যের সঙ্গে নিজের তুলনা না করে, নিজে যেমন, তেমন ভাবেই গ্রহণ করতে পারলে আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়। আর সেই আত্মবিশ্বাসই মানুষের ব্যক্তিত্বকে সবচেয়ে বেশি উজ্জ্বল করে তোলে।

তা ছাড়া অতিরিক্ত প্রসাধনী বা মেকআপ ব্যবহারে বিশ্বাসী নন নায়িকা। পর্দার ‘সীতা’ এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘‘আমি কেবল স্বাস্থ্যকর খাবার খাই। এর ফলে আমার রূপচর্চাও হয়ে যায়, শরীরেও ভিতরের যত্ন নেওয়াও হয়ে যায়।’’ ফলে সাই যে ভাবে নিজেকে মেনে নিয়েছেন, সে ভাবেই প্রত্যেকের নিজেকে ভালবাসা দরকার প্রথমে। তার পর রূপসৌন্দর্য আপনাআপনিই ফুটে উঠবে মুখে।

Sai Pallavi Ramayana Beauty Tips

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy