ইনস্টাগ্রাম খুললেই চোখে পড়ছে অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন এবং আলিয়া ভট্টের রূপচর্চার ভিডিয়ো। ঘুম থেকে উঠে ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধোয়ার পর তাঁরা মুখ ডোবাচ্ছেন বাটি ভর্তি বরফজলে। কেন করছেন? যাতে ত্বক টানটান থাকে। মুখের ছোট ছোট ছিদ্র, ওপেন পোরস বন্ধ হয়। চট করে মুখ একেবারে ঝকেঝকে হয়ে ওঠে। অনেকেই আবার যখন-তখন মুখে বরফ ঘষছেন। কখনও রোদ থেকে ফিরে কখনও আবার মেকআপের আগে।
মুখে ঘষলে বরফ খুব তাড়াতাড়ি মুখের কালচে ভাব দূর করে ত্বক উজ্জ্বল ও জেল্লাদার করে তুলতে পারে ঠিকই, কিন্তু নিয়ম না মেনে মুখে বরফ ঘষলে লাভের চেয়ে ক্ষতিই বেশি হবে। বরফ লাগাতে হবে নিয়ম মেনে। সুতির কাপড় বা তোয়ালেতে বরফের টুকরো নিয়ে আলতো করে গোটা মুখে বুলিয়ে নিতে হবে। এক জায়গায় বেশি ক্ষণ ধরে রাখলেই সেখানকার ত্বকে পোড়া দাগ হয়ে যেতে পারে।
চিকিৎসকেদের মতে, বরফ বেশি ব্যবহার করলে ‘আইস বার্ন’ হতে পারে। ত্বকের যে অংশ বরফের সংস্পর্শে বেশি আসবে, সেখানকার কোষগুলির ক্ষতি হতে পারে। ত্বকের কোষ জমে শক্ত হয়ে যেতে পারে, ফলে সেখানে স্বাভাবিক রক্ত চলাচল ব্যাহত হবে। অক্সিজেনের অভাব দেখা দেবে। কোষ নষ্ট হয়ে ক্ষতের দাগ তৈরি হবে। কালচে পোড়ার মতো দাগও হতে পারে। বরফ দিয়ে ফেশিয়াল করলে খুব অল্প সময়ের জন্যই ত্বকে বরফ লাগানো উচিত। যদি দেখা যায়, বরফ লাগালেই ত্বক ফুলে উঠছে বা লালচে দাগ পড়ে যাচ্ছে, তা হলে বরফ না ব্যবহার করাই ভাল। বিকল্প হিসেবে অ্যালো ভেরা জেল ব্যবহার করা যেতে পারে। অ্যালো ভেরাও ত্বকের প্রদাহ কমাতে পারে। ত্বক তরতাজা ও মসৃণ রাখে।