Advertisement
E-Paper

সাবান দিয়ে স্নান করার পরেও দুর্গন্ধ যায় না! গা ধোয়ার সময়ে ৫টি ভুল করছেন কি? রইল সহজ সমাধান

স্নানের কিছুক্ষণ পরেই দেহের গন্ধ ফিরে আসছে? এমনই অস্বস্তিতে রোজ রোজ পড়তে হয়? স্নানের সময়ে প্রতিদিনের কয়েকটি ছোট ভুলের কারণে এই সমস্যা হতে পারে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ৩১ অগস্ট ২০২৬ ১৯:২৬
স্নানের ৫ ভুল।

স্নানের ৫ ভুল। ছবি: সংগৃহীত।

সাবান দিয়ে গা ঘষে ঘষে পরিষ্কার করলেন। মগের পর মগ জল ঢাললেন। বা শাওয়ারের তলায় বেশ খানিকক্ষণ দাঁড়িয়ে পরিষ্কার করলেন নিজেকে। সারা স্নানঘর সাবানের গন্ধে ম ম করছে। এ দিকে আপনার গা থেকে দুর্গন্ধ যাচ্ছে না। স্নানের কিছুক্ষণ পরেই দেহের গন্ধ ফিরে আসছে? এমনই অস্বস্তিতে রোজ রোজ পড়তে হয়? স্নানের সময়ে প্রতিদিনের কয়েকটি ছোট ভুলের কারণে এই সমস্যা হতে পারে।

স্নান মানেই শরীর থেকে শুধু ঘাম ও ময়লা ধুয়ে ফেলা নয়। ত্বকের উপকারী জীবাণু, প্রাকৃতিক তেল এবং আর্দ্রতার ভারসাম্যও বজায় রাখা জরুরি। তাই পরিচ্ছন্ন থাকতে গিয়ে অতিরিক্ত পরিষ্কার করার চেষ্টা উল্টে সমস্যা তৈরি করতে পারে।

স্নানের সময়ে কোন কোন ভুল করবেন না?

স্নানের সময়ে কোন কোন ভুল করবেন না? ছবি: সংগৃহীত

কী কী ভুল করা থেকে বিরত থাকতে হবে?

কর্কশ সাবান ব্যবহার: শরীর পরিষ্কার রাখতে সাবানের প্রয়োজন। কিন্তু বেশি ব্যবহার করলেই শরীর বেশি পরিষ্কার হবে— এমন ধারণা ভুল। অতিরিক্ত সাবান ত্বকের প্রাকৃতিক তেল শুষে নিয়ে আর্দ্রতা কমিয়ে দিতে পারে। বিশেষ করে যাঁদের ত্বক শুষ্ক বা স্পর্শকাতর, তাঁদের মৃদু ক্লিনজ়ার ব্যবহার করা ভাল। বাহুমূল, কুঁচকি, পায়ের পাতা এবং শরীরের যে অংশে ঘাম বেশি হয়, সেই জায়গাগুলি ভাল করে পরিষ্কার করা বেশি জরুরি। মৃদু সাবানেও একই রকমের পরিষ্কার হবে, সঙ্গে ত্বকও আরাম পাবে।

অতিরিক্ত গরম জল ব্যবহার: গরম জলে স্নান করলে আরাম লাগে বটে। বিশেষ করে দিনভর কাজের পর গরম জল গায়ে ঢাললে ক্লান্তি দূর হয়ে যায়। কিন্তু অতিরিক্ত গরম জলে গা ধোয়ার ফলে স্নানের পরেও অন্তত ১৫-২০ মিনিট ধরে আপনি ঘামতে পারেন। স্নানঘর থেকে বেরোনোর আগেই আপনি আবার ঘেমে যাচ্ছেন, ফলে দুর্গন্ধ তৈরি হচ্ছে আবার।

কী ভাবে স্নান করা উচিত?

কী ভাবে স্নান করা উচিত? ছবি: সংগৃহীত

লুফার ব্যবহার: বেশি পরিষ্কার করবেন বলে লুফা, নারকেলের ছোবড়া সব ব্যবহার করেন। কিন্তু সমস্যা যদি থেকে থাকে আপনার এই সমস্ত সামগ্রীতেই? লুফার মতো স্ক্রাবারগুলিতে আর্দ্রতা আটকে থাকে বলে তাতে সহজেই জীবাণুর বংশবৃদ্ধি শুরু হয়। সেগুলি গায়ে দিলে পরিষ্কার হওয়ার পরিবর্তে অপরিচ্ছন্নতাই বাড়বে। বরং সিলিকনের স্ক্রাবার ব্যবহার করুন। চটজলদি শুকিয়ে যাবে, পরিষ্কারও করা যাবে সহজে।

পা পরিষ্কার না করা: সারা গা সাবান দিয়ে ধুলেও পা পরিষ্কার করতে ভুলে যান অনেকে। ভাবছেন, সাবানে ভরা জল পায়ের নীচ দিয়েই তো গড়িয়ে যাচ্ছে, তাতে পা পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এই ভ্রান্ত ধারণার কারণেই হয়তো শরীরে গন্ধ থেকে যাচ্ছে। সেখান থেকেই ময়লা ঘর পর্যন্ত ঢোকে সবার প্রথমে। তাই স্নানের সময়ে ঘষে ঘষে পা ধোয়া উচিত।

তোয়ালে পরিষ্কার না করা: ভেজা তোয়ালে দীর্ঘক্ষণ গুটিয়ে বা স্যাঁতসেঁতে জায়গায় ফেলে রাখলে সেখানে জীবাণু ও দুর্গন্ধ তৈরি হতে পারে। সেই তোয়ালে দিয়েই যদি গা মোছেন, তা হলে আর পরিষ্কার হবে কী ভাবে? শরীর পরিষ্কার করার পর একই নোংরা তোয়ালে বার বার ব্যবহার করলে কোনও লাভ হবে না। ব্যবহারের পরে তোয়ালে টানটান করে মেলে শুকিয়ে রাখুন এবং নিয়মিত পরিষ্কার করুন। স্নানের পর পরিষ্কার, শুকনো পোশাক পরাও জরুরি। অন্তর্বাস প্রতিদিন বদলানো উচিত।

Shower

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy