কেউ মজেছেন জে-বিউটিতে, কেউ আবার কোরিয়ান রূপচর্চায় উৎসাহী। লক্ষ্য একটাই! পেতে হবে কাচের মতো স্বচ্ছ, দাগমুক্ত জেল্লাদার ত্বক, যেখানে আলো পড়লেই দ্যুতি ঝলমলিয়ে উঠবে।
দিনে দিনে এমন সৌন্দর্যেই মজছে তরুণ প্রজন্ম। সালোঁ থেকে ঘরোয়া প্রসাধনীর সাহায্যে এখন কোরিয়ান গ্লাস স্কিন পাওয়ার জন্য হা-হুতাশ! এ বার তা নিয়েই নিজের ভাবনা প্রকাশ করলেন বলিউড অভিনেতা শাহিদ কপূরের স্ত্রী মারী কপূর।
কাচের মতো আভা, মসৃণ ত্বক পেতে রূপচর্চা নিয়ে অন্যরকম মাতামাতি এখন। ত্বকের যত্নে প্রসাধনীর ভিড়। সকালে এক সিরাম, রাতে অন্য, ময়েশ্চারাইজ়ার থেকে ফেস প্যাক— ধাপে ধাপে রূপচর্চার জন্য এসেছে রকমারি পণ্য। আর তা নিয়েই সতর্ক করছেন মীরা। শাহিদ-ঘরনি নিজে একটি নামী প্রসাধনী সংস্থার মালকিন। তিনি নিজেও যথেষ্ট সুন্দরী।
মীরার কথায়, পরতে পরতে প্রসাধনী ব্যবহার করলেই কি ত্বক তা শোষণ করতে পারবে? হয়ে উঠবে মসৃণ! এমন ত্বক দেখতে খুবই সুন্দর, কিন্তু সত্যি কি এতটা সুন্দর ত্বক পাওয়া সম্ভব, না কি সেটাই লক্ষ্য হওয়া উচিত, প্রশ্ন মীরার। একই সঙ্গে তাঁর আবেদন, তাঁর বার্তা নিয়ে যেন ভুল ব্যাখ্যা না করে বসেন কেউ।
সম্প্রতি ইনস্টাগ্রাম পোস্টেই এই নিয়ে তাঁর ভাবনা ভাগ করে নিয়েছেন তিনি। মীরার মনে করাচ্ছেন, ত্বকে অসংখ্য সূক্ষাতিসূক্ষ ছিদ্র রয়েছে এবং সেগুলির কার্যকারিতাও যথেষ্ট। সেগুলি বন্ধ করিয়ে মসৃণ ত্বক পাওয়ার চেষ্টা কতটা যুক্তিসঙ্গত, সেই প্রশ্নও উস্কে দিয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, সুন্দর ত্বক পাওয়ার জন্য ত্বকের সুরক্ষাবর্ম, আর্দ্রতা রক্ষায় মনোযোগী হওয়া দরকার। এতে ত্বক স্বাস্থ্যোজ্জ্বল থাকবে।
অনেকেই না বুঝে একসঙ্গে এএইচএ, বিএইচএ, রেটিনল, ভিটামিন সি’র মতো শক্তিশালী উপাদান ব্যবহার করে ফেলেন ত্বকে। ফলে জ্বালা, শুষ্কতা, লালচে ভাব বা অস্বস্তি দেখা দিতে থাকে। তা ছাড়া, আগে সাক্ষাৎকারে মীরা জানিয়েছিলেন, তিনি অতিরিক্ত প্রসাধনী ব্যবহারের পক্ষপাতী নন। এ কথা শুধু মীরা নয়, বলিউডের বহু তারকাই এটা-সেটা মাখার পরিবর্তে প্রাকৃতিক উপাদানে রূপচর্চা করতে পছন্দ করেন। কেউ মাখেন কাঠবাদামের তেল, কেউ বেছে নেন নারকেল তেলও।