চিনে খাবার হলেও বাঙালিদেরও খুব পছন্দ বাও। সন্ধ্যার স্ন্যাক্সে চিকেন বা পনির বাও চা অথবা কফির সঙ্গে মন্দ লাগে না। তবে মাছেরও বাও হয়। বাঙালিরা যেমন মাছ পছন্দ করে, তেমন মাছের পুর দিয়েও নানা ধরনের বাও বানানো যায়। যেমন সর্ষে-পোস্ত ভেটকির পুরভরা বাও, অথবা কাঁচালঙ্কা দিয়ে ভাপানো রুই বা কাতলার বাও যদি বানানো যায়, তা হলে কেমন হয়? খাবারেও নতুনত্ব আসবে, স্বাদও অন্যরকম হবে। খেয়ে মুগ্ধ হবেন অতিথিরাও। মাছের নানা বাও তৈরির পদ্ধতি শিখিয়েছেন রন্ধনশিল্পী রণবীর ব্রার।
সর্ষে-পোস্তর ভেটকি বাও
পাউরুটির দোকান থেকে বাও কিনে আনতে পারেন আবার বাড়িতেও বানিয়ে নেওয়া যায়। বাঙালি ভেটকির পাতুরি বা ভাপা খেয়েই অভ্যস্ত। এ বার ভেটকি দিয়ে বাও বানিয়ে নিন। ২০০ গ্রামের মতো ভেটকির ফিলে নিতে হবে। প্রতিটি ফিলে আধ চা-চামচ লেবুর রস, নুন, আধ চা-চামচ রসুনবাটা, কাসুন্দি ও ধনে-পুদিনাবাটায় মাখিয়ে ১৫ মিনিট রেখে দিন। প্যানে সামান্য সর্ষের তেল গরম করে মাছের ফিলে এপিঠ-ওপিঠ হালকা ভেজে নিন। অথবা ভাপে সেদ্ধও করে নিতে পারেন। এ বারে বাওয়ের পেটের ভিতরে অল্প কাঁচালঙ্কাবাটা, কাসুন্দি মাখিয়ে ভাজা ভেটকি ফিলে রেখে উপর থেকে পেঁয়াজকুচি ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।
মাছের পুরভরা বাও।
তন্দুরি পমফ্রেট বাও
পমফ্রেট মাছ ভাল করে ধুয়ে ভাপিয়ে কাঁটা বার করে নিন। এ বার টকদই, তন্দুরি মশলা, কসৌরি মেথি, কাঁচালঙ্কার গুঁড়ো, চাট মশলা, সামান্য সর্ষের তেলে মাখিয়ে আধঘণ্টা রেখে দিন। গ্রিল প্যানে বা অভেনে মাছগুলি একটু পোড়া-পোড়া করে গ্রিল বা তন্দুর করে নিন। বাও বানের ভিতরে গ্রিল করা মাছ রেখে উপর থেকে চাট মশলা, পেঁয়াজকুচি, লেবুর রস ছড়িয়ে দিন।
ফিশ বাও বানানো কঠিন নয়।
কাঁচালঙ্কা-ধনেপাতা ভাপা রুই বাও
২০০ গ্রামের মতো রুই মাছ নিন। মাছগুলি ভাল করে ধুয়ে ভাপিয়ে কাঁটা বার করে রাখুন। এ বার মাছের কিমা করে নিন। প্যানে সামান্য সর্ষের তেল গরম করে কালোজিরে ও কাঁচালঙ্কা ফোড়ন দিন। তাতে মাছের কিমা, সামান্য হলুদ, ধনেপাতাবাটা, রসুনবাটা, ও নুন দিয়ে ২-৩ মিনিট কষিয়ে নিন। বেশি ভাজবেন না। গরম বাও বানের ভিতরে এই পুর ভরে উপর থেকে এক ফোটা কাঁচা সর্ষের তেল ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।