ওজন কমানোর চেষ্টায় তেল খাওয়া কমিয়ে ফেলেছেন ঠিকই, তবে সন্ধ্যার জলখাবারে গরম শিঙাড়া বা চপ-কাটলেট দেখলে তা খেতেই মন চায়। কিন্তু ক্যালোরি বেড়ে যাওয়ার ভয়ে পিছিয়ে আসেন। এক ফোঁটা তেল ব্যবহার না করেই যদি স্ন্যাক্স বানানো যায়, তা হলে কেমন হয়? খেতে ভাল হবে, তেল লাগবে না, আবার স্বাস্থ্যকরও হবে। তেমনই কিছু ‘জ়িরো অয়েল’ স্ন্যাক্স তৈরির প্রণালী রইল।
জল দিয়ে পরোটা
জল দিয়ে পরোটা
তেল ছাড়া পরোটা ভাবলেই মনে হয় সেটি শুকনো রুটির মতো হবে। তা কিন্তু নয়। নরম ও তুলতলে পরোটা তৈরি হতে পারে তেল ছাড়াই। আটা অল্প নুন জোয়ান মিশিয়ে হালকা গরম জল দিয়ে নরম করে মেখে নিন। মণ্ডটি ঢাকা দিয়ে ১০ মিনিট রেখে পরোটার মতো বেলে নিন। গোল বা তিনকোনা, যেমন খুশি বেলে নিতে পারেন। এ বার তাওয়া ভাল করে গরম করে পরোটাটি এপিঠ-ওপিঠ হালকা সেঁকে নিন। এর পর একটি বাটিতে জল নিয়ে ব্রাশের সাহায্যে পরোটার উপর সামান্য জল মাখিয়ে দিন। জল দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পরোটাটি ফুলে উঠবে এবং নরমও হবে।
মসুর ডালের বড়া বা আপ্পে
আপ্পে
বড়া মানেই ছাঁকা তেলে ভাজা নয়। ভাপিয়ে বা নন-স্টিক তাওয়ায় তেল ছাড়াই তৈরি করা যায়। ১ কাপ মুসুর ডাল ৩-৪ ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে জল ছাড়া ঘন করে বেটে নিন। ডালবাটার মধ্যে কুচোনো পেঁয়াজ, পালংশাককুচি, গ্রেট করা গাজর, আদা-লঙ্কাবাটা এবং নুন দিয়ে ভাল করে ফেটিয়ে নিন। ‘আপ্পে প্যান’ থাকলে ভাল, না হলে মিশ্রণটি গোল গোল করে ননস্টিক প্যানে ঢাকা দিয়ে এপিঠ-ওপিঠ সেঁকে নিতে পারেন।
বেকড ওট্স ও সব্জির কাটলেট
বেকড ওট্স ও সব্জির কাটলেট
ভাজা কাটলেটের চেয়েও এটি বেশি মুচমুচে এবং অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর। ওট্স শুকনো কড়ায় ভেজে গুঁড়ো করে নিন। একটি পাত্রে সেদ্ধ করা আলু, গ্রেট করা গাজর, ক্যাপসিকাম, সেদ্ধ করা মিষ্টি ভুট্টার দানা, ধনেপাতাকুচি, লঙ্কাকুচি, নুন এবং ওট্সের গুঁড়ো একসঙ্গে চটকে মেখে কাটলেটের আকার দিন। এ বার এই কাটলেটগুলি নন-স্টিক তাওয়ায় একেবারে কম আঁচে ঢাকা দিয়ে দু’পিঠ লালচে করে সেঁকে নিন। অথবা অভেনে ১৮০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডে ১৫ মিনিট বেক করতে পারেন।