টেবিল সাজানোর মতো ছোট গাছ নয়। ‘ফিড্ল লিফ ফিগ’ –কিন্তু বেশ বড়, লম্বাও। শুধু পাতা বাহার নয়, বড়সড় দেখতে বলেই অন্দরসজ্জায় এই গাছের কদর ক্রমশ বাড়ছে।
আধুনিক ফ্ল্যাটগুলিতে ঘর, হেঁশেল সংলগ্ন একটি বড় জায়গাতেই বসার ব্যবস্থা আবার খাওয়ারও জায়গা। দুই স্থান আলাদা করতে গিয়ে অনেকে শৌখিন পার্টিশন বা দেওয়াল ব্যবহার করেন যেগুলি খুব সহজে খোলাও যায়। এমন জায়গায় বড় মাপের ‘ফিড্ল লিফ ফিগ’ রাখলে মুহূর্তে বদলে যেতে পারে অন্দরের রূপ।
বড় সোফার পাশে বা বৈঠকখানার কোনায় একটি গাছ থাকলেই ঘর যেন প্রাণবন্ত দেখায়। শখের বশে এমন গাছ কিনে ফেলেছেন। জানেন না কী করে পরিচর্যা করবেন? জেনে নিন কৌশল।
রোদ: ৬-৭ ঘণ্টা আলোয় রাখুন। জানলার পাশে রাখতে পারেন। না হলে বারান্দায় বার করে দিন দিনে। এই গাছের পাতা বেশ মসৃণ এবং বড় হয়, প্রত্যেক সপ্তাহান্তে তা কাপড় দিয়ে মুছে পরিষ্কার করে দিতে হবে। তবেই সে পুরোমাত্রায় আলো পাবে।
জল: জল কম দিলে গাছের পাতার ধার বরাবর তা খয়েরি হয়ে যেতে থাকবে। আবার বেশি জল দিলে পাতার মাঝে হলুদ বা খয়েরি ছোপ পড়তে পারে। টবের মাটি পরীক্ষা করুন। যদি দেখেন, উপরিভাগ শুকিয়ে গিয়েছে, জল দিন।
টব :অন্দরে রাখা হলেও, এই গাছ আড়ে-বহরে ভালই বাড়ে। নার্সারি থেকে টব-সহ কিনলেও, সেটি বড় টবে প্রতিস্থাপন করা জরুরি। গাছের উচ্চতা যদি একটা সীমায় বেঁধে রাখতে চান, সে ক্ষেত্রে গাছ ছাঁটাই জরুরি। দরকার হতে পারে শিকড় ছাঁটারও।
আর্দ্রতা: আর্দ্রতা খুব বেশি হলে বা স্যাঁতসেঁতে আবহে থাকলে গাছে সহজেই পোকামাকড় হানা দিতে পারে। মাঝেমধ্যে কীটনাশক প্রয়োগ জরুরি। বাড়ির পোষ্যদের জন্য এর পাতা বিষাক্ত। তাই পোষ্য থাকলে একটু সতর্কতা জরুরি।