আখরোট খাওয়ার পর শক্ত খোসাটি ফেলে দিতে মন চায় না অনেকেরই। অথচ তা দিয়ে কী বানানো যায়, তা-ও ভেবে বার করা যায় না। ফলে শেষমেশ না চেয়েও বাতিলের বাক্সেই ঠাঁই হয় সেগুলির। তবে কিছুটা সৃজনশীলতা আর কিছুটা কল্পনাশক্তি কাজে লাগাতে পারলে মজবুত ওই বাদামের খোলা দিয়ে বানানো যেতে পারে উঠতে পারে ঘর সাজানোর পরিবেশ বান্ধব জিনিস। নিজের ঘর সাজানোর পাশাপাশি, হাতে তৈরি অমন জিনিস উপহারও দিতে পারেন বন্ধু-বান্ধব বা আত্মীয় স্বজনের বিশেষ দিনে। বিষয়টি নান্দনিক তো হবেই, তার পাশাপাশি ব্যক্তিগত ছোঁয়াও থাকবে সেই উপহারে।
আখরোটের খোসা দিয়ে কী কী বানাতে পারেন?
মিনি ক্যান্ডেল হোল্ডার: আখরোটের খোসাটি ভালভাবে পরিষ্কার করে ভেতরে মোমের সলতে বসিয়ে গলানো মোম ঢেলে দিন। সন্ধ্যায় এই ছোট্ট প্রদীপগুলো ড্রয়িং রুম বা সেন্ট্রাল টেবিলে জ্বালিয়ে দিলে তৈরি হবে এক মায়াবী পরিবেশ।
ছোট শো-পিস: অ্যাক্রিলিক রঙ বা স্প্রে পেইন্ট ব্যবহার করে খোসার ওপর রঙিন কারুকাজ করতে পারেন। দুটো খোসা জোড়া লাগিয়ে ছোট কচ্ছপ, কার্টুনের মুখ বা রঙিন পাখি বানিয়ে শিশুদের পড়ার টেবিল কিংবা শো-কেসে সাজিয়ে রাখা যায়।
উইন্ড চাইম: বেশ কয়েকটি খোসা রঙিন সুতোয় গেঁথে তার সঙ্গে পুঁতি, কাঠের রিং এবং ঘণ্টা যোগ করে বানিয়ে ফেলুন আকর্ষণীয় উইন্ড চাইম।
ওয়াল হ্যাঙ্গিং: একটি পিচবোর্ডে ছোটবড় আকার অনুযায়ী আটকে তাতে রং তুলির ছোঁয়ায় বানিয়ে ফেলতে পারেন সুন্দর দেখতে কোনও ওয়াল হ্যাঙ্গিং।
ইনডোর প্ল্যান্টের টব সাজানো: ড্রয়িং রুমের ইনডোর প্ল্যান্টের টবের ভেজা মাটির ওপর আখরোটের খোসাগুলো সাজিয়ে দিন। এতে টবের সৌন্দর্য যেমন বাড়বে, তেমনই মাটিও দীর্ঘক্ষণ আর্দ্র থাকবে।
সহজে নষ্ট হয় না বলে আখরোটের খোসা দিয়ে তৈরি জিনিসগুলো থাকে দীর্ঘদিন। তাই এবার আখরোট খাওয়ার পর খোসা না ফেলে নিজের হাতেই সাজিয়ে তুলুন আপনার প্রিয় ঘর।