তরুণ প্রজন্ম বই কম পড়ে বলে যতই খোঁটা শুনতে হোক না কেন, এখনও বহু বাড়ি আছে যেখানে অজস্র বই মিলবে। এমন অনেকেই আছেন যাঁরা বইপ্রেমী। বই রাখার জায়গার কথা না ভেবেই কিনেও ফেলেন একের পর এক বই। বইয়ের শখ থাকলে, বই রাখার জায়গার ব্যবস্থাও করতে হয়। কিন্তু সব বাড়িতে যথেষ্ট জায়গা থাকে না। কী ভাবে বই যত্নে এবং সাজিয়ে রাখতে পারেন?
শৌখিন বইয়ের তাক
বইয়ের তাক বানিয়ে নিন যা অন্দরসাজের সঙ্গে মানানসই। ছবি:সংগৃহীত।
আধুনিক গৃহসজ্জার সঙ্গে মানানসই হবে বসার ঘরের বা খাওয়ার জায়গার বড় কোনও দেওয়াল জুড়ে এমনই তাক বানাতে পারেন। তাক বড় কোনও গাছের আদলে কিংবা বরফির মতো আকারের হতে পারে। বই সাজিয়ে রাখা যাবে সেখানেই, আর তা অন্দরসজ্জার সঙ্গে দিব্যি মানানসইও হবে।
কাঠের বাক্স
বাক্সের মধ্যেও বই সাজিয়ে রাখতে পারেন। ছবি:সংগৃহীত।
কাঠের ক্রেট বা বাক্সের মধ্যেও বই সাজিয়ে রাখতে পারেন। ঘরের সঙ্গে মানানসই করতে কাঠের বাক্সের নীচে কাঠ দিয়ে স্ট্যান্ড বানিয়ে নিন। তার মধ্যে বই রেখে বসার ঘর বা বাড়ির কোনও একটি ঘরের একপাশে সাজিয়ে রাখতে পারেন।
টেবিলে: কফিটেবিলেও কিছু কিছু বই সুন্দর করে সাজিয়ে ফেলা যায়। যে বইগুলি বার বার পড়তে ইচ্ছা করে এমন শক্ত মলাটের কিছু বই একটু অগোছালো করে সাজিয়ে রাখলে তা কিন্তু বেশ মানাবে।
মেঝেতে
এই ভাবেও বই রাখতে পারেন। তবে বইগুলির প্রতি যত্নশীল হবে। ছবি:সংগৃহীত।
মেঝেতেও বই রাখা যেতে পারে। বিশেষত যদি খাটের বদলে মেঝেতে গদি পাতা থাকে বা খুব নিচু কোনও সোফা থাকে, তার পাশে পর পর বইগুলিকে একটির উপর একটি রাখা যেতে পারে। বইগুলি হয়ে যাবে কিছুটা টেবিলের মতো। তার উপর কোনও পেনস্ট্যান্ড বা শৌখিন ওয়েট পেপার সাজিয়ে দিতে পারেন।
পুরনো ট্রাঙ্ক: বহু বাড়িতেই পুরনো ট্রাঙ্ক পড়ে থাকে যার কোনও কাজ নেই। অতীতের স্মৃতি জড়িয়ে থাকে বলেই, অনেকে তা ফেলে দিতে পারেন না। পুরনো লোহার ট্রাঙ্কগুলিকেই নতুন করে রং করুন। চাইলে তাতে আঁকিবুকিও করতে পারেন। কোনও একটি টেবিলের উপর সেটি সাজিয়ে রাখুন। অনেক বই ধরে যাবে এতে।