পুজোর কেনাকাটা প্রায় শেষের পথে। নতুন জুতো কিনবেন ভাবছেন? নতুন জুতো পরে প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘুরে ঠাকুর দেখা বেশ মুশকিল। এর বদলে পুজোর সময়ে স্নিকার্স পরেই চোখ টানতে পারেন। জিন্স, জগার্স, স্কার্ট এমনকি শাড়ি, সব ধরনের পোশাকের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারে স্নিকার্স। জুতোর র্যাকে যে কাদামাখা স্নিকার্সগুলি রাখা রয়েছে, পুজোর আগে সেগুলি ঝকঝকে করে নিলেই হয়! সঠিক ভাবে না ধুলে স্নিকার্সের ঔজ্জ্বল্য এবং রং হারাতে খুব বেশি সময় লাগে না। জেনে নিন, সাধের স্নিকার্স ধোয়ার সহজ পন্থা।
সব স্নিকার্স এক জিনিস দিয়ে বা এক ভাবে তৈরি হয় না। লেবেল বা পণ্যের বিবরণ বুঝে তার পরেই ধোলাই করুন। স্নিকার্সটি ক্যানভাস না কি কৃত্রিম চামড়া না কি মেস, বা অন্য কোনও উপাদান দিয়ে তৈরি তা সবার আগে বুঝতে হবে। কারণ প্রত্যেকটি উপাদানের জন্য পদ্ধতি আলাদা। ক্যানভাস আর মেসের জুতোর সহ্যক্ষমতা বেশি। হালকা স্ক্রাবিং বা মৃদু ভাবে ধোয়া যেতে পারে। কিন্তু কৃত্রিম চামড়া স্পর্শকাতর। তাই অতিরিক্ত ভিজিয়ে ফেললে জুতো নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই সতর্ক থাকুন।
চামড়ার জুতো নোংরা হলেও তাতে জল ঠেকানো যায় না। তাই কী ধরনের জুতো ওয়াশিং মেশিনে দিচ্ছেন, তা দেখে নেওয়া জরুরি। সাধারণত কাপড় বা ক্যানভাসের তৈরি জুতো অনেকেই মেশিনে ধুয়ে নেন। প্লাস্টিক বা নাইলনের জুতোও ধোয়া যায়। তবে জুতোর সোলের অংশটি ওয়াশিং মেশিনে ঠিকমতো পরিষ্কার হয় না, তাই একটি মিশ্রণ বানিয়ে সবার আগে ব্রাশ দিয়ে ঘষে ওই অংশটি পরিষ্কার করে নিন। ঈষদুষ্ণ জলে একটু তরল সাবান আর আর বেকিং সোডা মিশিয়ে নিন। তার পর মিশ্রণটিতে ব্রাশ ডুবিয়ে সেই ব্রাশ দিয়ে স্নিকার্সের সোলটি পরিষ্কার করে নিন। এ বার জুতোর ইনসোল আর ফিতে খুলে বানিয়ে রাখা মিশ্রণে ডুবিয়ে রাখুন। একটি জুতো পরিষ্কার করার ব্যাগ বা সুতির ব্যাগে জুতো ভরে ওয়াশিং মেশিনে ধুয়ে নিন। তবে ওয়াশিং মেশিনের ড্রায়ারে জুতো শুকোবেন না, জুতো রোদে শুকোতে দিন। চড়া রোদ এড়িয়ে চলুন।