ক্যাফে বা রেস্তরাঁয় মাশরুম অমলেটের কদর যথেষ্ট। পুষ্টিকর এবং সুস্বাদুও। চিজ় এবং মাশরুম দিয়ে অমলেট স্বাস্থ্যকর প্রাতরাশ বা নৈশাহার দুই-ই হতে পারে। কিন্তু বাড়িতে তা বানাতে গেলে হয় অমলেটের মাঝের অংশ ভেঙে যায় নয়তো মাশরুম থেকে গন্ধ ছাড়ে? কিছুতেই তেমন স্বাদ আসে না।
মাশরুম অমলেট মানে শুধু অমলেটের মধ্যে গাদাখানেক মাশরুম পুরে দেওয়া নয়। বিষয়টি খুব সহজ মনে হলেও রন্ধনশিল্পীরা বলছেন এমন অমলেট তৈরির প্রতিটি ধাপই গুরুত্বপূর্ণ।
মাশরুমের প্রস্তুতি: স্যতে করে মাশরুমে ভরে দিলে অনেক সময়ে সুস্বাদু লাগে না, আবার কাঁচা মাশরুমের গন্ধও ছাড়ে।এ জন্য মাশরুম সঠিক কায়দায় ভাজা দরকার। বাটন মাশরুমে প্রচুর পরিমাণে জল থাকে। কড়াইয়ে অল্প তেল দিয়ে মাশরুম বেশি আঁচে ভেজে নিন। জল বেরিয়ে যাবে। খানিক ভাজা হলে যোগ করুন রসুনকুচি, পেঁয়াজকুচি, নুন। দিয়ে দিন গোলমরিচ। মাশরুম অতিরিক্ত ভাজা হলেও চলবে না। তবে যেন কাঁচা গন্ধ চলে যায়।
আরও পড়ুন:
ডিম: ডিমের অমলেট তৈরির সময়ে মিশিয়ে নিন একটু দুধ। নুন, গোলমরিচ দিয়ে ভাল করে ফেটাতে হবে। ডিম ফেটিয়ে ফেনার মতো করে ফেললে, অমলেট ফুলবে বেশি এবং নরমও হবে। অমলেট ভাজুন মাখন দিয়ে। মাখন হালকা গললে ডিম দিতে হবে। আঁচ থাকবে একদম কম। না হলেই নীচের অংশ পুড়ে যাবে।
পুর ভরা: অমলেট যাতে মাঝখান থেকে ফেটে না যায়, সে জন্য একটু মোটা করতে হবে। একটির বদলে ২-৩টি ডিম দিয়ে অমলেট করুন। প্যানে দেওয়ার সময়ে দেখতে হবে সেটি যেন পুরু থাকে। না হলে অমলেট তৈরির সময়ে ১ টেবিল চামচ ময়দা ডিমে মিশিয়ে নিতে পারেন। তা হলেও অমলেট ফেটে যাবে না।
ভাঁজের কায়দা: অমলেটের মাঝ বরাবর মাশরুম দিয়ে উপর থেকে চিজ় গ্রেট করে দিন। তার পর আড়াআড়ি ভাঁজ করে দিন। ডিম নরম থাকা অবস্থায় নামাতে হবে। না হলে বাড়তি তাপে শক্ত হয়ে যাবে, খেতে ভাল লাগবে না।