গরম এবং আর্দ্র আবহাওয়ায় খাবার খুব তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে ঘরে ঘরে। আবার সহজে দই, ছানা বানানোও যাচ্ছে না এই সময়ে। লোকে বিশেষ ভাবে ধন্দে থাকেন এমনই দুগ্ধজাত পণ্য নিয়ে। কারণ, এক একটি খাবার এক এক ভাবে সংরক্ষণ করতে হয়, বানানোর ধরনও ভিন্ন। টাটকা, সতেজ খাবার খেতে চাইলে কোন দুগ্ধজাত পণ্য কী ভাবে ব্যবহার করবেন জেনে নিন।
দুধ
ফোটানোর সময়ে অতিরিক্ত আঁচে অনেক সময়ে দুধ কেটে যায়। তাই সব সময়ে ঢিমে আঁচে দুধ ফোটানো উচিত। দই বা ছানা বানানোর দরকার পড়লে আগে থেকেই ঢেলে দেবেন না। আগে দুধকে খানিক ঠান্ডা হতে দিন, তার পর তাতে লেবুর রস বা দই মেশান। এতে স্বাদ ও ঘ্রাণ অক্ষত থাকে।
দই
আর্দ্র দিনেও থকথকে, ঘন দই পাততে চান? খেয়াল রাখবেন, দুধ যেন অতি গরম বা অতি ঠান্ডা না হয়। ঈষদুষ্ণ জলে ১-২ টেবিলচামচ দই মিশিয়ে দিন। ভাল করে মিশিয়ে দিয়ে এ বার ঢাকা দিয়ে রেখে দিন। ওই পাত্র যেন কোনও ভাবে নাড়ানো না হয়। ঘরের মধ্যে যে জায়গায় সবচেয়ে বেশি গরম, সেখানে ৬-৮ ঘণ্টা রেখে দিন মিশ্রণটি। এতেই ঘন দই পাতা সম্ভব হতে পারে।
ছানা বা পনির
ছানা বা পনির বানানোর পর সমস্ত জল বার করে দেওয়ার জন্য এটিকে জোরে চেপে ধরেন অনেকে। কিন্তু তাতে পনির শক্ত ও চিবোনো কঠিন হয়ে যেতে পারে। তার বদলে পনিরকে আলতো করে চেপে ৫-১০ মিনিটের জন্য ঠান্ডা জলে ভিজিয়ে রাখুন। এতে পনির নরম হয়। তরকারির জন্য একেবারে উপযুক্ত গঠনটি পাওয়া যায়। যদি তখনই রান্না না করেন, তা হলে টাটকা রাখতে ঠান্ডা জলে চুবিয়ে ফ্রিজে রেখে দিতে পারেন। প্রতি দিন জল বদলে নিতে হবে। তা হলেই ৪-৫ দিন টাটকা থাকবে পনির বা ছানা।
ঘি
ঘন ও সুগন্ধি ঘি বানাবেন বাড়িতে? মাখন ঢিমে আঁচে ধীরে ধীরে গরম করুন। যখন এটি সোনালি হয়ে যাবে এবং একটি মনোরম সুগন্ধ ছড়াবে, তখন আঁচ বন্ধ করে দিন। ঘি ছেঁকে নিন এবং দীর্ঘক্ষণের জন্য টাটকা রাখতে একটি পরিষ্কার কাচের জারে সংরক্ষণ করুন।