অষ্টমী মানেই লুচি! অনেকেই অষ্টমীতে ভাত খান না, দুপুরে তাই ছোলার ডাল আর আলুরদমের সঙ্গে চাই লুচি। যাঁরা আমিষ খান, তাঁদের আবার লুচির সঙ্গে চাই মাংস। কষা মাংস হোক বা নিরামিষ আলুরদম, সঙ্গে লুচি থাকলে আর কিছুই চাই না বাঙালির। বেশির ভাগ বাঙালিবাড়িতে সাদা ময়দার লুচিই হয়। তবে অনেকে আবার স্বাস্থ্যসচেতন বলে আটার লুচি খেতে পছন্দ করেন।
লুচি যে ভাবেই বানানো হোক না কেন, না ফুললে কিন্তু খেতে মজা আসে না। চিপসে যাওয়া লুচি খেতে মোটেই ভাল লাগে না। তবে ডোবা তেলে ভাজা লুচি মানেই গ্যাস-অম্বলের সমস্যা! অথচ ১ চামচ তেলে প্রেশার কুকারেই বানিয়ে ফেলতে পারেন ফুলকো লুচি। শিখে নিন কৌশল।
ময়দা মাখার কৌশল
লুচির ময়দা মাখার সময় তেল, নুন, চিনির পাশাপাশি যদি তাতে একচিমটে বেকিং সোডা দিয়ে দেন, তা হলে লুচি কিন্তু ভাল ফুলবে। সঙ্গে টক দই মেশালে লুচির স্বাদ বাড়ে, ফোলেও ভাল। ময়ানে গরম তেল দিয়েও দেখতে পারেন। এই কৌশলেও লুচি ফুলকো হয়। আটা বা ময়দা মেখে সঙ্গে সঙ্গে লুচি বানিয়ে ফেলবেন না যেন। আটা বা ময়দার মণ্ডটি আধ ঘণ্টা সাদা মসলিন কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখুন। তার পরেই ভাজুন। ফুলকো হবে লুচি।
কুকারে লুচি বানানোর কৌশল
· মাখা ময়দার মণ্ড থেকে ছোট ছোট লেচি কেটে পাঁচ-ছ’টা লুচি বেলে নিন।
· এ বার প্রেশার কুকারের ভিতরটায় ভাল করে তেল মাখিয়ে নিন। বেলে রাখা লুচিগুলো কুকারের ভিতরের দেওয়ালে হালকা করে সেঁটে দিন।
· উপর থেকে আরও এক বার তেল ব্রাশ করে দিন। এ বার কুকারের ঢাকনা বন্ধ করে (হুইস্ল খুলে নেবেন) একেবারে কম আঁচে বসিয়ে দিন।
· ৩ মিনিট পর ঢাকনা খুললেই দেখবেন, তেল ছাড়াই ফুলে উঠেছে গরমাগরম লুচি।
টিপ্স: একসঙ্গে ৪-৫টার বেশি লুচি দেবেন না, তা হলে কিন্তু লুচি ফুলবে না।