Advertisement
E-Paper

ভারতীয় খাবার থেকে কোরিয়ান বারবিকিউ! ৪ বছরের কন্যা নাকি বড়ই খাদ্যরসিক, জানালেন প্রিয়ঙ্কা

কন্যা মালতীর খাদ্যাভ্যাস এবং খাবারের সঙ্গে তার সম্পর্ক তৈরি করা নিয়ে বেশ সচেতন অভিনেত্রী প্রিয়ঙ্কা চোপড়া। সম্প্রতি সেই বিষয়ে বিস্তারিত জানালেন বলিউড তথা হলিউড অভিনেত্রী।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৮:২১
নিক জোনাস এবং মালতী মেরির সঙ্গে প্রিয়ঙ্কা চোপড়া।

নিক জোনাস এবং মালতী মেরির সঙ্গে প্রিয়ঙ্কা চোপড়া। ছবি: সংগৃহীত।

সারা বিশ্বের খাবার চেখে দেখে সে। মা-বাবা যা খান, তা-ই তার পছন্দ। খাওয়াদাওয়া নিয়ে বাধানিষেধও নেই যে! তাই রীতি খাদ্যরসিক হয়ে উঠেছে ৪ বছরের মালতী মেরি চোপড়া জোনাস। কন্যার খাদ্যাভ্যাস এবং খাবারের সঙ্গে তার সম্পর্ক তৈরি করা নিয়ে বেশ সচেতন অভিনেত্রী প্রিয়ঙ্কা চোপড়া। সম্প্রতি সেই বিষয়ে বিস্তারিত জানালেন বলিউড তথা হলিউড অভিনেত্রী। মেয়েকে ‘ফুডি’ অর্থাৎ খাদ্যরসিকের তকমাও দিয়েছেন তিনি।

প্রিয়ঙ্কার এই অভিজ্ঞতা আসলে শিশুর খাদ্যাভ্যাস নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় প্রকাশ্যে আনে— ছোট বয়স থেকেই যদি শিশুকে নানা স্বাদ, গন্ধ, বর্ণ ও ধরনের খাবারের সঙ্গে পরিচয় করানো যায়, তা হলে পরবর্তী জীবনে তার খাবার বেছে নেওয়ার অভ্যাসও অনেক বেশি বৈচিত্রময় হতে পারে। সে কথা মাথায় রেখেই প্রিয়ঙ্কা এবং নিক জোনাস যা খান, মেয়েকেও সেই খাবারই দেন। একরত্তি এমন এক পরিবারে বড় হচ্ছে, যেখানে এমনিতেই একাধিক সংস্কৃতির মিশেল। তাই ভারতীয় খাবারও মালতীর যেমন পছন্দ, তেমনই নানা দেশের খাবার (যেমন, কোরিয়ান বারবিকিউ) খেতে ভালবাসে সে। মালতীর খাওয়ার থালাতেও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র খুব স্পষ্ট ফুটে ওঠে। আলাদা করে আর খাবার বানানো হয় না খুদের জন্য। সে এখন বড়দেরই দলে।

সন্তানের খাদ্যাভ্যাস নিয়ে সচেতন প্রিয়ঙ্কা চোপড়া।

সন্তানের খাদ্যাভ্যাস নিয়ে সচেতন প্রিয়ঙ্কা চোপড়া। ছবি: সংগৃহীত

শিশুর সামনে নতুন কোনও খাবার রাখলেই সে প্রথম বার সেটি খেয়ে ফেলবে— এমনটা বিরল বললে অত্যুক্তি হয় না। বরং নতুন খাবারের ক্ষেত্রে শিশুর প্রথম প্রতিক্রিয়া অনেক সময় অনীহা হতে পারে। খাবারটি দেখতে, গন্ধে বা স্বাদে অপরিচিত হওয়ায় শিশু সেটি মুখে তুলতে না-ও চাইতে পারে। তাই ছোট থেকেই একাধিক খাবারের সঙ্গে পরিচয় ঘটিয়ে দিলে এই সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় না বাবা-মায়েদের। এক বার খাবারটি না খেলে সেটি চিরতরে বাদ দেওয়ার বদলে অন্য কোনও দিন আবার অল্প পরিমাণে দেওয়া যেতে পারে। একই খাবার বার বার সামনে এলে অপরিচিত ভাবটা ধীরে ধীরে কমে। শিশু খাবারটির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পায়।

অনেক সময়ে বাবা-মা মনে করেন, শিশু কোনও একটি সব্জি বা খাবার এক বার মুখে তুলতে চাইছে না মানে, সেটি তার অপছন্দ। কিন্তু ছোটদের ক্ষেত্রে খাবার প্রত্যাখ্যানের পিছনে অপরিচিতির কারণও থাকতে পারে। নতুন স্বাদ, গন্ধ শিশুর কাছে অস্বাভাবিক লাগতে পারে। তাই খাবারটি একাধিক বার কোনও চাপ না দিয়ে খাওয়ার সুযোগ দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। ধীরে ধীরে পরিচিতি তৈরি হলে শিশুর অনীহা কমতেও পারে। লক্ষ্য হওয়া উচিত, শিশুকে জোর করে না খাইয়ে তার সামনে বিভিন্ন ধরনের খাবারের সুযোগ তৈরি করা। সে ভাবেই খাবারের সঙ্গে সুসম্পর্ক তৈরি হবে খুদেদের। এই মন্ত্রেই মেয়েকে বড় করছেন প্রিয়ঙ্কা এবং নিক।

Priyanka Chopra Parenting Tips

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy