মালয়ালি নায়িকা সাই পল্লবীর পর্দার জীবনসঙ্গী রামায়ণ মহাকাব্যের নায়ক রাম। কিন্তু বাস্তবে কেমন সঙ্গী চান তিনি? সম্প্রতি সহ-অভিনেতা রণবীর কপূর এবং রবি দুবের সঙ্গে ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’-তে এসে সেই প্রশ্নের জবাব দিলেন সঞ্চালক অমিতাভ বচ্চনকে।
দীপাবলি বিশেষ পর্বে হাজির হয়েছিলেন আসন্ন ছবি ‘রামায়ণ’-এর তিন তারকা। সেখানেই অমিতাভ বচ্চন তাঁকে প্রশ্ন করেন, জীবনসঙ্গীর মধ্যে কী কী গুণ দেখতে চান তিনি?
পছন্দের জীবনসঙ্গীর গুণের তালিকা দিলেন অভিনেত্রী। ছবি: সংগৃহীত
উত্তরে সাইয়ের সটান জবাব, ‘‘মানুষ হিসেবে ভাল হতে হবে।’’ কিন্তু তালিকা এখানেই থেমে থাকেনি। একে একে আরও চারটি গুণের কথা বললেন সাই। নায়িকা চান, তাঁর জীবনসঙ্গী যেন আত্মকেন্দ্রিক না হন। পাশাপাশি, আত্মসচেতন হওয়াটাও জরুরি। নিজের কাজ ও ভাবনা নিয়ে গভীর ভাবে ভাবার ক্ষমতা রয়েছে যাঁর। তা ছাড়া নিজের আচরণ সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। অর্থাৎ, মানুষটি নিজের ভুল বুঝতে পারেন কি না, নিজের ভুল অন্যের ঘাড়ে না চাপিয়ে আত্মপর্যালোচনা করেন কি না, সেটাও তাঁর কাছে গুরুত্বপূর্ণ। তালিকার শেষে এসে সাই বললেন, ‘‘আমি অনেক বড় তালিকা দিয়ে ফেলছি। কিন্তু মানুষ ভাল হওয়াটা জরুরি। এ সবের সঙ্গে রান্না জানলে আরও ভাল।’’
আরও পড়ুন:
সাইয়ের এই উত্তরের মধ্যে সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক উঠে এসেছে। সম্পর্কে শুধু ভাল ব্যবহার করলেই হয় না, কেবল ভালবাসলেই হয় না। নিজের আচরণ নিয়েও ভাবতে জানতে হয়। কোনও ভুল হলে তা স্বীকার করা, প্রয়োজন হলে ক্ষমা চাওয়া এবং নিজেকে শুধরে নেওয়ার চেষ্টা করা— এই মানসিকতাই সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। অন্যের উপর দোষ চাপিয়ে দেওয়ার বদলে নিজের আচরণের দায়ভার নেওয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ। সঙ্গীর অনুভূতিকে গুরুত্ব দেওয়া এবং নিজের সীমাবদ্ধতা বুঝতে পারাও সুস্থ সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ গুণ। সাইয়ের পছন্দের তালিকায় এই বিষয়গুলিই বিশেষ ভাবে ধরা পড়েছে। যে কোনও সম্পর্কেই এই সমস্ত গুণ থাকা দরকার দু’টি মানুষের মধ্যেই। দু’জনেই যদি নিজের ধ্যানধারণা, কাজ এবং আচরণ সম্পর্কে সচেতন হন এবং ভুল শুধরে নিতে চেষ্টা করেন, তা হলে সম্পর্ক অনেক বেশি মসৃণ হতে পারে।