Advertisement
E-Paper

বছরের ১৫টি দিন যুঝে নিতে হবে, দাম্পত্য নিয়ে কী পরামর্শ বিক্রান্তের? স্ত্রীর সঙ্গে কেমন বোঝাপড়া তাঁর

বিয়ে মানেই প্রতিদিন একসঙ্গে হাসি, আনন্দ আর সব বিষয়ে একমত হওয়া— এমনটা বাস্তবে হয় না। দু’জন মানুষ পাশাপাশি থাকলে মতের অমিল, অভিমান, রাগ কিংবা ঝগড়া হবেই। সে ক্ষেত্রে কী করার কথা বলছেন বিক্রান্ত?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ৩০ অগস্ট ২০২৬ ১৯:০৫
বিক্রান্ত আর শীতলের সুখী দাম্পত্যের রহস্য কী?

বিক্রান্ত আর শীতলের সুখী দাম্পত্যের রহস্য কী? ছবি: সংগৃহীত।

চার বছরের সুখী দাম্পত্য তারকা দম্পতির। কিন্তু সত্যিই কি প্রতিদিন সুখী থাকা যায়? এত নিখুঁত হওয়া কি সম্ভব? অন্তত বিক্রান্ত ম্যাসির তেমনটা মনে হয় না। কিন্তু তাঁদের দাম্পত্য সুখী বটে। তা বলে অভিনেতা মনে করেন না, ৩৬৫ দিনই ভাল থাকতে হবে। ৩৫০টি দিন ভাল থাকলেই যথেষ্ট। বাকি ১৫ দিন খালি যুঝে নিতে হবে। আর সেই কাজটি কেমন ভাবে করেন বিক্রান্ত? সুখী দাম্পত্যের টোটকা জানালেন অভিনেতা।

বিয়ে মানেই প্রতিদিন একসঙ্গে হাসি, আনন্দ আর সব বিষয়ে একমত হওয়া— এমনটা বাস্তবে হয় না। দু’জন মানুষ পাশাপাশি থাকলে মতের অমিল, অভিমান, রাগ কিংবা ঝগড়া হবেই। কিন্তু সেই ঝগড়া কতটা জায়গা নেবে, সেটাই হয়তো সম্পর্কের ভবিষ্যৎ ঠিক করে দিতে পারে। অভিনেতার মতে, সুখী দাম্পত্যের জন্য প্রত্যেকটি দিন নিখুঁত হওয়া জরুরি নয়। বরং বছরের বেশির ভাগ সময়টা ভাল কাটানো দরকার। খারাপ দিনগুলিকে বেশি দূর টেনে না নিয়ে গেলেই আনন্দে থাকা যায় বলে তাঁর মত।

স্ত্রী শীতলের সঙ্গে বিক্রান্ত।

স্ত্রী শীতলের সঙ্গে বিক্রান্ত। ছবি: সংগৃহীত

ঝগড়া থামানোর একটি বিশেষ নিয়ম রয়েছে বিক্রান্ত এবং তাঁর স্ত্রী শীতল ঠাকুরের। রাতে কোনও বিষয় নিয়ে ঝগড়া বা তর্ক হলে সেটি পরের দিন পর্যন্ত টেনে নিয়ে যান না তাঁরা। রাগ বা অভিমান থাকলেও আগের দিনের বিবাদকে নতুন দিনের সম্পর্কের উপরে চাপিয়ে দেন না। পর দিন যদি সেটা নিয়ে ঝগড়া চালিয়ে যেতে ইচ্ছেও করে, সেটা না করার চেষ্টা করেন দম্পতি।

অবশ্য এর অর্থ এই নয় যে, সমস্যাকে চেপে রাখতে হবে বা কোনও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কথা বলা যাবে না। বরং আবেগ কিছুটা শান্ত হওয়ার পরে বিষয়টি নিয়ে কথা বলা অনেক সময় বেশি কার্যকর। কারণ, ঝগড়া মানেই সম্পর্ক খারাপ নয়। একটি সুস্থ দাম্পত্যের বৈশিষ্ট্যই হল, সেখানে মতবিরোধ থাকবে, বিবাদ থাকবে। কিন্তু মতবিরোধের মধ্যেও একে অপরের প্রতি সম্মান এবং আবেগটুকু বজায় থাকবে।

ঝগড়ার পরে কিছুটা সময় নেওয়া দরকার। কেউ ঘুমিয়ে নিতে পারেন, কেউ বা নিজেকে শান্ত করার চেষ্টা করার জন্য অন্য কিছু করতে পারেন। তার মানেই সমস্যা এড়িয়ে যাওয়া নয়। অনেকের ক্ষেত্রে কিছুটা বিরতি নিলে আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে এবং বিষয়টি পরিষ্কার ভাবে বুঝে নিতে সুবিধা হয়। অর্থাৎ ‘ঘুমোনোর আগে সব মিটিয়ে ফেলতেই হবে’— এমন কোনও কঠোর নিয়ম নেই। গুরুত্বপূর্ণ হল, বিরতি নেওয়ার পরে যেন সমস্যাটি চিরতরে এড়িয়ে না যাওয়া হয়। সেটি বেশি দরকারি।

Vikrant Massey happy marriage Sheetal Thakur

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy