কুকারে পোলাও বসালেন, ঢাকনা খুলতেই দেখলেন সব ঠিক আছে- ঝরঝরে ভাত, সুন্দর গন্ধ— কিন্তু মুখে দিতেই কোনও স্বাদ পেলেন না। নুন একেবারে কম! ফ্রায়েড রাইসেও একই গল্প। কড়াইতে আন্দাজমতো নুন দিলে মিলে যায়, কিন্তু কুকারে দিলেই গোলমাল।
সঠিক মাপ বোঝার সহজ কৌশল:
১. ১ কাপ চালে (প্রায় ২০০ গ্রাম) ১ চা-চামচ নুন দেওয়া যেতে পারে। এই হিসেব সাদা ভাত, পোলাও, জিরা রাইসের জন্য একদম ঠিকঠাক। যদি ফ্রায়েড রাইস করেন যেখানে সয়া সস বা নুন দেওয়া সব্জিও ব্যবহার করা হয়, তাহলে নুন ৩/৪ চা-চামচ দিলেই যথেষ্ট।
২. কুকারে চাল দিয়ে জল ফুটতে শুরু করলে সেই জলটা চেখে দেখুন। জলটা কেমন খেতে? স্বাদ যদি হয় একটু বেশি নোনতা, যেন স্যুপের মতো, তা হলে বুঝবেন নুন একেবারে ঠিক আছে। মনে হবে এই জলটা খেলে একটু বেশি নুন লাগছে তবে চাল জল টেনে নিলে নোনতা ভাব কমে যাবে। তাই চিন্তার কারণ নেই।
কখন নুন দেবেন?
চাল ধুয়ে কুকারে জল দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নুন আর সামান্য তেল বা ঘি দিয়ে দিন। পরে উপর থেকে ছড়ালে নুন কখনও সমান ভাবে মেশে না। একদিকে বেশি, একদিকে কম লাগে।
মিষ্টি বাসন্তী পোলাও হলে নুনের সঙ্গে ১ চা-চামচ চিনি দিলে নুনের স্বাদ যথাযথ হয়, কম লাগে না। তবে ফ্রায়েড রাইসে কুকারে ভাতটা ৯০ শতাংশ সেদ্ধ করুন। ১ সিটিতেই নামিয়ে নিন, পুরো সেদ্ধ করবেন না। ঠান্ডা করে তার পর কড়াইতে ভাজুন। তখন শেষে স্বাদ দেখে আর এক চিমটে নুন, গোলমরিচ দিতে পারবেন। কুকারেই ১০০ শতাংশ সেদ্ধ করে ফেললে পরে আর নুনের পরিমাপ বোঝা যায় না, ভাত ভেঙেও যায়।