অষ্টমীর সকালে অঞ্জলি দিয়ে ভোগ খেতেই বেশি ভাল লাগে। বেশির ভাগ বাঙালি এই দিন বাড়িতে নিরামিষই খায়। রাতে ঠাকুর দেখে বাইরে কিছু খেতে মন না চাইলে, বাড়িতেই বানিয়ে নিতে পারেন নিরামিষ কিছু পদ। রুটি, লুচি বা পরোটার সঙ্গে একটু অন্যরকম কিছু খেতে হলে ঠাকুরবাড়ির রন্ধনশৈলীতে বানিয়ে নিতে পারেন তিন নিরামিষ পদ।
লুচির সঙ্গে জমবে বেগুনের কোর্মা
বেগুনের কোর্মা
লুচি বা পরোটার সঙ্গে বেগন ভাজা নয়, বরং বানিয়ে ফেলুন বেগুনের কোর্মা। ৩-৪টে বেগুন লম্বা করে কেটে নুন-হলুদ মাখিয়ে হালকা করে ভেজে নিন। গোটা গরমমশলা (তেজপাতা, লবঙ্গ, এলাচ) ভাল করে পিষে রাখুন। অন্য একটি পাত্রে সামান্য জল দিয়ে তাতে হিংয়ের গুঁড়ো মিশিয়ে রেখে দিন, এর পর যেই তেলে বেগুন ভেজেছেন সেই তেলেই তেজপাতা, গরম মশলা, টম্যাটো কুচি বাকি সব মশলা দিয়ে ততক্ষণ নাড়তে থাকুন যতক্ষণ না মশলা থেকে তেল ছাড়ছে। এ বার ফেটানো দই দিয়ে নেড়েচেড়ে বেগনের টুকরোগুলি দিয়ে দিন। পরিমান মতো নুন ও চিনি দিয়ে। ঝোল ঘন হয়ে এলে ঘি ছড়িয়ে নামিয়ে নিন।
বাদশাহি ছানা
বাদশাহি ছানা
বাড়িতে তৈরি ছানা বা কেনা ছানাতে রান্না করতে পারেন এই পদ। ছানার টুকরোগুলি নুন মাখিয়ে সাদা তেলে ভেজে নিন। ওই তেলেই শা জিরে, শুকনো লঙ্কা, তেজপাতা ফোড়ন দিন। তার মধ্যে এক চামচ পোস্তবাটা, কাজুবাদাম বাটা ও কিশমিশ বাটা দিয়ে কষতে হবে। পরিমাণমতো নুন ও চিনি দিন। তেল বেরোতে শুরু করলে ক্রিম দিতে হবে। ক্রিম না থাকলে ঘন দুধ দিতে পারেন। এ বার একে একে ছানার বড়াগুলি দিয়ে উপর থেকে ঘি ও জয়িত্রীর গুঁড়ো ছড়িয়ে দিয়ে ঢাকা দিয়ে দিন। কিছুক্ষণ পর ঢাকনা খুলে কিশমিশ ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।