গরমের দিনে শরীরে জলের অভাব দূর করে শসা। এমনিতেও সারা বছরই শসা খাওয়ার চল আছে। স্যালাড হোক বা ডি-টক্স ওয়াটার, শসা থাকবেই। কিন্তু জানেন কি, শসার বীজের উপকার! অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টে ভরপুর শসার বীজ। হজমশক্তি বৃদ্ধি থেকে ত্বকের জৌলুস বাড়াতে এর ভূমিকা অপরিসীম। তবে শসায় কামড় বসানোর পর যদি স্বাদে তেতো লাগে, তাহলে বিরক্তির শেষ থাকে না। তাই, বাজার করার সময়ে মাথায় রাখতে হবে কয়েকটি কৌশল। জেনে নিন না কেটেই তেতো শসা চেনার সহজ কিছু কৌশল।
(১) শসার তেতো ভাবের নেপথ্যে মূল কারণ হল ‘কিউকারবিটাসিন’ নামের এক রাসায়নিক। এটি শসার বোঁটা বা ডগার দিকে বেশি জমা থাকে। তাই শসার ডগা যদি খুব কুঁচকানো বা অতিরিক্ত গাঢ় সবুজ হয়, তবে সেটি না কেনাই ভাল।
(২) শসা কেনার সময়ে যদি দেখেন কোথাও গাঢ় সবুজ আর কোথাও ফ্যাকাশে হলুদ, বুঝবেন গোলমাল আছে। এমন শসা তেতো হওয়ার ঝুঁকি বেশি। পুরো গাঢ় সবুজ রং দেখেই শসাই কিনুন।
(৩) কেনার সময়ে হাত দিয়ে শসা আলতো চেপে দেখুন। যদি কোথাও নরম বা বেশি বসা লাগে, তবে সেটি বাদের খাতায় ফেলুন। পুরো শসাটি সমান শক্ত হলে তবেই তার স্বাদ ভাল হবে।
(৪) বোঁটার অংশ একটু শুঁকে দেখুন। তাজা শসা থেকে হালকা মিষ্টি গন্ধ বেরোবে। গন্ধ যদি ঝাঁঝালো বা বিদঘুটে লাগে, তবে হাত না দেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।
(৫) অনাবৃষ্টি বা জলের অভাব হলে শসার গায়ে ধারালো কাঁটা জন্মায়। কাঁটা বেশি বড় ও তীক্ষ্ণ হলে সেই শসা মিষ্টি হয় না। ত্বক মসৃণ, এমন শসাই কেনা ভাল।