চিংড়ির মালাইকারি হোক বা মাছের মইলু, নারকেলের দুধ না পড়লে সেই রান্না মোটেও জমে না। কেউ নারকেল বেটে, কুরিয়ে বাড়িতেই বানিয়ে নেন দুধ, কেউ আবার দোকান থেকে কেনা দুধ ব্যবহার করেন। তবে তা ব্যবহারের নিয়মকানুন আছে। আর সেই নিয়মে ভুল হলে অধরা থেকে যেতে পারে কাঙ্ক্ষিত স্বাদ। রান্নার সময়ে তাই কোন বিষয়গুলি মাথায় রাখবেন?
১) মাছ, মাংস যখন ফুটছে, সেই সময়ে দুধ ঢেলে দেওয়া একেবারেই ঠিক নয়। এতে নারকেলের দুধ কেটে গিয়ে ছানার মতো হয়ে যেতে পারে। এটি ব্যবহারের সময়ে আঁচ একেবারে কমিয়ে দিতে হবে। নারকেলের দুধ দেওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গে আলতো হাতে তা রান্নায় মিশিয়ে দিতে হবে।
২) অনেকে রান্নার শুরুতেই নারকেলের দুধ দিয়ে দেন। এতে রান্নার শেষ পর্যন্ত আর সেই গন্ধ থাকে না। পাশাপাশি, দুধ কেটে যাওয়ার আশঙ্কাও থাকে। তা ছাড়া মাছ, মাংস কষিয়ে নেওয়ার পর একবারে শেষ ধাপে নারকেলের দুধ যোগ করলে, এর গন্ধও ভাল আসে।
৩) কৌটোয় থাকা নারকেলের দুধ ব্যবহার করলে অতি অবশ্যই তা ঝাঁকিয়ে নিতে হবে। নারকেলের দুধ ভাল রাখার জন্য ফ্রিজে রাখতেই হয়। এ ক্ষেত্রে অনেক সময়ে ঘন অংশ থিতিয়ে যায়। তাই ব্যবহারের আগে তা ঝাঁকিয়ে নেওয়া দরকার।