অতিথি আপ্যায়ন হোক বা বাড়ির ছোটখাটো ঘরোয়া আড্ডা— দোকান থেকে কেনা শরবতের বদলে শাহি মকটেল সাজিয়ে দিলে আড্ডার মেজাজটাই বদলে যাবে। কেসর, গোলাপজল, এলাচ, বাদামবাটা দিয়ে মকটেল বানানো যায় বাড়িতেই। তার স্বাদ রেস্তরাঁর থেকে আলাদা হবেই। বাড়িতে তৈরি মকটেলে সোডা মেশানোরও প্রয়োজন নেই। বদলে তাজা ফলের রসেই স্বাদ বাড়বে।
রাজা-রানি মকটেল
লাল-হলুদ রঙের মিশেলের এই মকটেল দেখতে লোভনীয়, স্বাদেও খাসা। এটি তৈরি করতে লাগবে ১ কাপ তরমুজের রস, ১ কাপ আমের রস, ১ চামচ লেবুর রস, ৪-৫টি পুদিনাপাতা ও বরফকুচি।
রাজা-রানি মকটেল
প্রণালী: প্রথমে একটি গ্লাসে বরফকুচি এবং পুদিনাপাতা দিন। এর পর গ্লাসের অর্ধেকটা আমের রস দিয়ে পূর্ণ করুন। চামচের উল্টো পিঠ গ্লাসের ভিতরের দেয়ালে ঠেকিয়ে খুব সাবধানে তরমুজের রস উপর থেকে ঢালুন, যাতে আমের রসের উপর তরমুজের রসের একটি লাল স্তর তৈরি হয়। আমের রস বা পাল্প ভারী হওয়ায় তা নীচে থিতিয়ে পড়বে ও তরমুজের রস উপরে ভাসবে। সোডার বদলে এতে মেশান লেবুর রস।
আনারকলি মকটেল
বেদানার গাঢ় লাল রঙের সঙ্গে গোলাপের সুবাস মিলে তৈরি হয় এই মকটেল। দেখতেও শাহি, স্বাদেও ভাল। এটি তৈরি করতে ১ কাপের মতো বেদানার রস নিয়ে নিন, সঙ্গে লাগবে গোলাপের সিরাপ, ১ চামচ চাট মশলা, এক চামচ লেবুর রস, বরফকুচি ও পুদিনাপাতা।
আনারকলি মকটেল
প্রণালী: একটি গ্লাসে বেদানার রস গোলাপের সিরাপ, লেবুর রস, চাটমশলা ও বরফকুচি মিশিয়ে ভাল করে ঝাঁকিয়ে নিন। সোডা না দিতে চাইলে গ্লাসে ঢেলে উপর থেকে আরও খানিটা গোলাপের সিরাপ মেশাতে হবে। পরিবেশনের আগে বেদানার দানা ও কয়েকটি পুদিনাপাতা ছড়িয়ে দিন।
কেশর-বাদামের মকটেল
যে কোনও অনুষ্ঠানে অতিথি অপ্যায়নের জন্য রাখতে পারেন এই মকটেল। এটি বানাতে লাগবে আধ কাপের মতো কাঠবাদাম, এক চিমটে কেশর, ২ কাপ নারকেলের দুধ, ১ চামচ চিনি বা মধু, ছোট এলাচ ২টি, বরফকুচি।
কেশর-বাদামের মকটেল
প্রণালী: কাঠবাদাম জলে ভিজিয়ে রাখুন ঘণ্টাখানেক। তার পর বেটে নিন। ঈষদুষ্ণ দুধে কেশর ভিজিয়ে রেখে দিন। এ বার ব্লেন্ডারে নারকেলের দুধ, বাদামবাটা, কেশর, দুধ, চিনি বা মধু একসঙ্গে মিশিয়ে ভাল করে ব্লেন্ড করে নিন। পরিবেশনের জন্য গ্লাসে আগে বরফকুচি ঢালুন। তার উপরে মিশ্রণটি ঢেলে এক চামচ মধু ও খানিকটা পেস্তা ও কাঠবাদামের কুচি ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।