বুঝলে হিরো, এইমাত্র একটা পেমেন্ট ঢুকল। তাপসবাবু ক্যাশ বন্ধ করে চলে গেছে, টাকাটা তোমার কাছে রাখতে হবে
এই দু’দিন।”
কাজ গুছিয়ে বাড়ি ফেরার তোড়জোড় করছিল চন্দন, হুড়মুড়িয়ে ঘরে ঢুকল জীবন ভৌমিক।
“কত টাকা?”
চন্দনের প্রশ্নে ভাবলেশহীন গলায় জীবন ভৌমিক জবাব দিল, “বাহান্ন হাজার।”
“অ্যাঁ, বলেন কী!” টাকার অঙ্ক শুনে আঁতকে উঠল চন্দন, “আপনার কি মাথা খারাপ হয়ে গেছে? আমার বাড়ির রুটটা তো জানেন, বড়বাজার থেকে বাসে শেয়ালদা, তার পর বনগাঁ লোকালের ভিড় ঠেঙিয়ে দু’ঘণ্টা। স্টেশন থেকে সাইকেলে আরও বিশ মিনিট। সোমবার অফিসে আসার সময় উল্টো দিক থেকে একই গল্প। যাতায়াতের পথে টাকাটা কোনও ভাবে খোয়া গেলে?”
“আহা, খোয়া যাবেই ভাবছ কেন? কোটি কোটি মানুষ প্রতি দিন হার্ড ক্যাশ নিয়ে রাস্তায় বেরোচ্ছে, সবার টাকা খোয়া যাচ্ছে নাকি? তা ছাড়া টাকা খোয়া গেলে তোমার কী! অফিসের কেউ জানবে না টাকাটা তোমার কাছে রয়েছে। সোমবার ক্যাশে টাকা জমা না পড়লে মালিক কৈফিয়ত চাইবে আমার কাছে। চাকরি গেলে আমার যাবে, জেল হলে আমার হবে। তোমার কিসের টেনশন?” শান্ত গলায় চন্দনের আপত্তিতে জল ঢেলে দিল জীবন ভৌমিক।
“কিন্তু আপনি বাড়ি ফেরার সময় মাঝে মাঝে রাতে কাস্টমারের গদি থেকে পেমেন্ট তোলেন, পরের দিন অফিসে এসে জমা করেন…”
হাত তুলে চন্দনকে থামিয়ে জীবন ভৌমিক বলল, “কিন্তু আজ টাকাটা আমি নিজের কাছে রাখছি না কেন? কোনও কোনও শনিবার রাত আটটার পর আমি নিজেকেই বিশ্বাস করি না।”
“মানে?” উত্তেজনার আঁচ পোহানো বিস্ময় চন্দনের গলায়।
দাঁড়িয়ে কথা বলছিল জীবন ভৌমিক। এ বার চেয়ারে বসে কাঁচাপাকা গোঁফে হাত বুলিয়ে বঙ্কিম হেসে বলল, “গিন্নি বাড়িতে না থাকলে শনিবার অফিস ছুটির পর আমি গিয়ে হাজির হই শুঁড়িখানায়। আজ তেমনই এক শনিবার। গভীর রাতে ট্যাক্সি ড্রাইভারের ভরসায় বাড়ি ফেরা মাতালের হেফাজতে বাহান্ন হাজার টাকা থাকা নিরাপদ নয়!”
অস্বস্তিমাখা গলায় চন্দন বলল, “আপনার এই সব ব্যাপার আছে জানতাম না!”
“জানতে না, কারণ আগে কখনও এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। তা ছাড়া অফিসে নতুন জয়েন করেছ, সহকর্মীরা কে কেমন জানতে একটু সময় লাগবে বইকি।”
হাসিমুখেই কথাটা বলল জীবন ভৌমিক, কিন্তু তার দিকে চেয়ে থাকতে বিব্রত বোধ করল চন্দন। কাজ সারার অছিলায় চোখ নামিয়ে প্রশ্ন করল, “অন্য কারও কাছে রাখা যায় না, সন্তোষবাবু কিংবা প্রশান্তদা?”
“ওরে বাবা, তারা আমার চেয়েও বড় তারকাটা! এখনও বে-থা করোনি, সংসারের আঁচে সেদ্ধ হওনি। রিটায়ারমেন্টের দোরগোড়ায় দাঁড়ানো মানুষের জীবনে গিন্নিবিহীন শনি-সন্ধের মাহাত্ম্য তুমি বুঝবে না ভায়া!”
“কিন্তু অতগুলো টাকা আমি নিয়ে যাই কী করে? বনগাঁ লাইনের পকেটমাররা সব শিল্পী, ক’দিন আগে পাড়াতুতো দাদার প্যান্টের গোপন পকেট থেকে তিরিশ হাজার টাকা সাফ করে দিয়েছে। বেচারা বাগরি মার্কেটে আসছিল মাল কিনতে!”
“আরে প্যান্টের পকেটে রাখতে ভয় করে তো পিঠ-ব্যাগে নাও। পকেটমাররা তো জানতে পারছে না আজ তোমার ব্যাগে টিফিনবক্স, জলের বোতল, ছাতার সঙ্গে বাহান্ন হাজার টাকা থাকবে। ব্যাগ পিঠে ঝুলিয়ে ড্যাং ড্যাং করে সবার চোখের সামনে দিয়ে বেরিয়ে গেলেও, কেউ টের পাবে না। ব্যাগটা দেখি তোমার।”
চন্দনের সম্মতির তোয়াক্কা না করে ইউপিএস-এর পাশে রাখা ব্যাকপ্যাকটার চেন খুলে তাতে একটা খাম ঢুকিয়ে দিল জীবন ভৌমিক।
“কিন্তু আমি নতুন মানুষ, আমাকে এতটা বিশ্বাস করা কি ঠিক হচ্ছে?” জীবন ভৌমিককে নিরস্ত করার শেষ চেষ্টা করল চন্দন।
“আমি মানুষ চিনি, হিরো। টাকাটা তোমার কাছে ততটাই নিরাপদ, যতটা মায়ের কোলে শিশু। ছ’টা বাজে প্রায়, কাজ মিটলে বেরিয়ে পড়ো। ট্রাক লোড হচ্ছে, ড্রাইভারকে চালান ধরিয়ে আমিও বেরোব,” একটু হেসে বেরিয়ে গেল জীবন ভৌমিক।
চিন্তায় পড়ল চন্দন। এই অফিসের সবচেয়ে অভিজ্ঞ কর্মী জীবন ভৌমিক। কোম্পানির মালিক তাকে চোখ বুজে বিশ্বাস করে, সমস্যায় পড়লে পরামর্শ নেয়। এমন মানুষের অনুরোধ তথা নির্দেশ অমান্য করা ঠিক নয়। আবার ভিড়ের মধ্যে এতগুলো টাকা নিয়ে চলার ঝুঁকিও প্রচুর। তার মতো নিম্নবিত্ত পরিবারের ছেলের কাছে টাকার পরিমাণটা অ-নে-ক! যদিও জীবন ভৌমিক আশ্বস্ত করেছে— রাস্তায় দুর্ঘটনা ঘটলে তার দায় চন্দনের নয়, কিন্তু সেটা কথার কথা। টাকাটা খোয়া গেলে খেসারত দিতে হবে চন্দনকেই!
বাসস্টপে এসে চন্দন টের পেল— টেনশন হচ্ছে। আগে কখনও এত টাকা নিয়ে রাস্তায় বেরোয়নি সে। তা ছাড়া টাকাটা তার নিজের নয়, কোম্পানির। নিজের টাকা খোয়া গেলে মন খারাপ হলেও কারও কাছে জবাবদিহির দায় থাকে না। কিন্তু এ ক্ষেত্রে জল গড়াতে পারে থানা-পুলিশ পর্যন্ত। চাপের মুখে জীবন ভৌমিক সত্যিটা কবুল করলে ফেঁসে যাবে সে!
টেনশন সত্ত্বেও স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করল চন্দন। এমন পরিস্থিতিতে চালচলনে কোনও অস্বাভাবিকতা ফুটে ওঠা বিপজ্জনক। পথের সুযোগসন্ধানীরা মানুষের শরীরী ভাষা জরিপ করতে ওস্তাদ। কারও হাবেভাবে অতি সতর্কতা, ঘন ঘন নির্দিষ্ট জায়গায় চকিতে হাত বোলানো দেখেই তারা চিনে নেয় সম্ভাব্য শিকার! তাদের শ্যেনদৃষ্টিকে ফাঁকি দেওয়ার সেরা উপায়— চোখেমুখে উদাসীনতার প্রলেপ বুলিয়ে রাখা!
বেশ কয়েকটা বাস ছেড়ে দেওয়ার পর চন্দন সিদ্ধান্ত নিল— আর নয়, পরের বাসে যে ভাবে হোক উঠতে হবে। ফাঁকা বাসের অপেক্ষায় থাকতে গেলে ছ’টা সাতান্নর বনগাঁ লোকাল পাওয়া যাবে না, সপ্তাহে একটা দিন একটু তাড়াতাড়ি বাড়ি ফেরার সম্ভাবনা মাঠে মারা যাবে।
সামান্য পরে বাস আসতে দেখে তৎপর হল চন্দন, ব্যাকপ্যাকটা পিঠ থেকে নামিয়ে ঝুলিয়ে নিল হাতে।
এই বাসেও ভিড় যথেষ্ট, তবে পাদানি পেরিয়ে ভিতরে ঢোকা সম্ভব।
মাত্র এক জনকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে থামল না বাস, গতি কমাল শুধু।
বহু বার এমন গড়িয়ে চলা বাসে উঠেছে চন্দন, কখনও সমস্যা হয়নি। কিন্তু আজ কী যেন হয়ে গেল তার— পা ঠিকঠাক নাগাল পেল না পাদানির, রডটাও ফসকে গেল হাত থেকে!
*****
“ক্যায়সে হ্যায় আপ কম্পুটার সাব, জাদা চোট তো নহি লগি?”
চোখ মেলে জনার্দনকে দেখতে পেল চন্দন।
বড় রাস্তা থেকে সামান্য ভিতরে একটা খাবারের দোকানের লোহার বেঞ্চিতে শুয়ে আছে সে, জমেছে ছোটখাটো ভিড়।
কনুইয়ের জ্বালা এবং শরীরের একাধিক জায়গায় যন্ত্রণা নিয়ে উঠে বসল চন্দন। ভিড়ের মধ্যে কয়েক জনকে আগে দেখেছে সে। গত এক মাস এম জি রোডের অফিসে চাকরি করার সুবাদে এলাকার অনেক মুখ চেনা হয়ে গেছে তার।
জনার্দন বলল, “ম্যায়নে ভৌমিক সাব কো ফোন কিয়া, ও তুরন্ত আ জায়েগা। জরুরত পড়নে পর হম আপকো হাসপাতাল লে জায়েঙ্গে।”
এই মহল্লার শ্রমিকদের সর্দার জনার্দন। সপ্তাহে এক দিন চন্দনদের অফিসে আসে হিসাবের খাতা নিয়ে। চন্দনকে ডাকে ‘কম্পুটার সাব’ বলে।
মাথা থেকে জল গড়াচ্ছে চন্দনের, ভিজছে গা। সেদিকে পরোয়া না করে জনার্দনের দিকে চেয়ে উদ্বিগ্ন কণ্ঠে সে প্রশ্ন করল, “আমার ব্যাগটা কোথায় জনার্দনদা, হাতে ছিল!”
“ব্যাগ! আরে, ক্যায়া কিসি নে কম্পুটার সাব কা ব্যাগ দেখা হ্যায়?” উঁচু গলায় জমায়েতের উদ্দেশে প্রশ্ন ছুড়ল জনার্দন।
অস্পষ্ট গুঞ্জন ব্যক্ত করল— খোয়া গেছে ব্যাগ!
কাতর গলায় চন্দন বলল, “ব্যাগটা আমার চাই জনার্দনদা, ওটায় অনেক দরকারি জিনিস ছিল! মায়ের হাঁপানির ওষুধ, আধার কার্ড…”
কথা শেষ না করে জমায়েতের দিকে বিচলিত দৃষ্টি বুলাল চন্দন।
সান্ত্বনার গলায় জনার্দন বলল, “ফিকর মত করো কম্পুটার সাব, ব্যাগ জরুর মিল জায়েগা! ভগবান কা লাখ সুকরিয়া, আপকো জাদা চোট নহি আয়ি!”
মিনিটে পাঁচেকের মধ্যে হাজির হল জীবন ভৌমিক। তার ‘এখন কেমন আছ’ প্রশ্নের জবাবে এমন ভাবে মাথা নাড়ল চন্দন, যার অর্থ ভাল, মন্দ দুই-ই হয়!
ঘটনার অনুক্রম স্পষ্ট করল জনার্দন— “ম্যায় হরি কি দুকান পর চায়ে পি রহা থা, আচানক এক শোর সুনাই দিয়া। দৌড়তা হুয়া আয়া আউর দেখা, কম্পুটার সাব সড়ক পর পড়া হুয়া হ্যায়। বাস মে চড়তে সময় গির গ্যয়া… থোড়া বেহোশ! সবনে মিলকর উসে উঠাকর ইঁহা লে আয়া। চেহরে পর পানি মারনে কা বাদ পুরা হোশ আয়া, লেকিন আফরা-তাফরি মে উসকা ব্যাগ খো গয়া!”
ধপাস করে চন্দনের পাশে বসে জীবন ভৌমিক বিড়বিড় করে উঠল, “ও হো হো, সর্বনাশ হয়ে গেল! কোন কুক্ষণে যে আজ ফুর্তি করার ভূত মাথায় চেপেছিল…”
চন্দনকে মোটামুটি সুস্থ দেখে পাতলা হতে শুরু করেছে জমায়েত। কাজের মানুষ সব, বিন্দুমাত্র সময় অপচয় করার জো নেই কারও।
“ভৌমিক সাব, কম্পুটার সাব কো হাসপাতাল লে জানা চাহিয়ে ক্যায়া?”
“না না”, হাত তুলে জনার্দনকে আশ্বস্ত করল চন্দন, “আমি ঠিক আছি। কনুইটা ছড়ে গেছে একটু… ব্যান্ড-এড লাগিয়ে নেব। তুমি প্লিজ় একটু খোঁজ করে দেখো আমার ব্যাগটা পাওয়া যায় কি না।”
“ও তো ম্যায় জরুর করুঙ্গা!” কাঁধে গামছা ফেলে গলির দিকে পা বাড়াল জনার্দন।
দীর্ঘশ্বাস ফেলে জীবন ভৌমিক বলল, “আমি নিজের পায়ে নিজে কুড়ুল মেরেছি। তোমার দুর্গতির জন্যও আমিই দায়ী! মাথায় টেনশন ছিল বলেই বাসে উঠতে গিয়ে পড়ে গেছ তুমি! রোজ যাতায়াত করছ, এমন তো হয়নি কখনও! বাহান্ন হাজার, উফ, বিশাল ক্ষতি হয়ে গেল!”
বিপ্রতীপ চিন্তার স্রোত বইছিল চন্দনের মনে! অভাবী সংসারে হঠাৎ বাহান্ন হাজার টাকার প্রাপ্তি বড়ই স্বস্তিকর। মায়ের চিকিৎসা, ঘরদোর মেরামত, ঋণ শোধের মতো অত্যাবশ্যক প্রয়োজনগুলো মেটানো সম্ভব সেই টাকায়। কিন্তু হুট করে অতগুলো টাকা হাতে আসবে কেমন করে, যদি না লটারি বাধে! ঘটনাচক্রে আজ তেমনই লটারির টিকিট পেয়ে গেছে সে, অপেক্ষা শুধু ভাঙানোর!
রাস্তায় পড়ে যাওয়ার পর সামান্য সময়ের জন্য চেতনা হারিয়েছিল সে— মিথ্যে নয় সেই কথা।
বাহান্ন হাজার টাকা-সহ খোয়া গেছে তার ব্যাগ— সেই বিষয়ে নিশ্চিত জীবন ভৌমিক।
এখন এই দুই সুতো জুড়তে পারলেই কেল্লা ফতে, নগদ বাহান্ন হাজার টাকার মালিক হয়ে যাবে সে!
কাজটা তেমন কঠিন নয়, প্রেক্ষাপটও অনুকূল, কিন্তু বিস্তর চেষ্টা সত্ত্বেও গিঁটটা বেঁধে উঠতে পারল না চন্দন! অগত্যা মরিয়া হয়ে প্রশ্ন করল, “আমাদের অফিসের কম্পেনসেশন পলিসি কেমন দাদা, এমপ্লয়িদের ছোটখাটো ক্ষতি পুষিয়ে দেয়?”
তেতো গলায় জীবন ভৌমিক বলল, “বাহান্ন হাজার টাকার ক্ষতি খুব ছোট বলে মনে হচ্ছে? আমার প্রায় তিন মাসের স্যালারি ওটা। তা ছাড়া এই সব ক্ষেত্রে কোম্পানি ক্ষতিপূরণ দেয় না, ঘাড় ধরে প্রাপ্য আদায় করে।”
“না না, বাহান্ন নয়, আমি বলছিলাম তিন-সাড়ে তিন হাজারের কথা। ব্যাগ, ছাতা, মায়ের ওষুধ, মান্থলি টিকিট… সব মিলিয়ে ওই সাড়ে তিন মতো হবে।”
“মহা স্বার্থপর মানুষ তো তুমি! আমি মরছি নিজের জ্বালায়, আর তুমি একটা পুরনো ব্যাগ, রংচটা ছাতা নিয়ে পড়ে আছ!” চন্দনের কথায়
এ বার রীতিমতো খেঁকিয়ে উঠল জীবন ভৌমিক।
“আহা রেগে যাচ্ছেন কেন, আমার বিপর্যয়ের সঙ্গে আপনার বাহান্ন হাজারের কোনও সম্পর্ক নেই। প্যান্টের পকেট, ব্যাকপ্যাকের খোপ— কোনওটাই নিরাপদ মনে না হওয়ায় অফিস থেকে রওনা হওয়ার আগে টাকাটা আমি মোজার ভিতরে পুরে নিয়েছিলাম। অফিসে চলুন, বার করে দিচ্ছি। আজ সাড়ে সাতটা দূরের কথা, আটটা চোদ্দোর ট্রেনও বরাতে নেই আমার! বাড়ি ঢুকতে ঘড়ির হিসেবে রোববার হয়ে যাবে!”
বিহ্বল চাহনি শেষে চন্দনকে জড়িয়ে ধরে আপ্লুত গলায় জীবন ভৌমিক বলে উঠল, “খুব বাঁচিয়েছ ভাই, খুব বাঁচিয়েছ! সারা জীবন সুনামের সঙ্গে চাকরি করে এসে শেষ বেলায় কালির ছিটে লেগে যেত! ব্রাভো! আই উড বি ভেরি গ্রেটফুল টু ইউ ব্রাদার!”
শেষ পর্যন্ত লোলুপ ভাবনাটা মন থেকে উপড়ে ফেলার তৃপ্তি নিয়ে হাসল চন্দন।