বিজয়ার পরে অতিথিদের আনাগোনা লেগেই থাকে। বন্ধুবান্ধব থেকে আত্মীয়-পরিজন— পুজোর পর কেউ বাড়িতে এলে তাঁকে মিষ্টিমুখ না করালেই নয়। বাঙালির চিরন্তন সংস্কৃতি দশমীতে অতিথি আপ্যায়নে মিষ্টিমুখ করানো। অনেক বাড়িতেই ঘুগনি, নিমকির সঙ্গে নানা রকম মিষ্টি থালায় সাজিয়ে দেওয়া হয়। এ বার দোকান থেকে মিষ্টি না কিনে, ঘরেই বানিয়ে দিন নানারকম মিষ্টি।
খেজুরের ফিরনি
খেজুরের ফিরনি
এক কাপের মতো ডালিয়া শুকনো খোলায় ভেজে নিন। সামান্য জল দিয়ে ঢাকা দিয়ে সেদ্ধ হতে দিন। এ বার এক লিটারের মতো দুধ কম আঁচে ফুটিয়ে তাতে ডালিয়ে দিয়ে জ্বাল দিন। ফিরনি ঘন হয়ে নামানোর কিছু আগে এক কাপের মতো খেজুরবাটা, আধ চা-চামচ ছোট এলাচের গুঁড়ো ও কুচি করে রাখা কাঠবাদাম-পেস্তা দিয়ে নামিয়ে নিন।
নারকেলের প্যারাকি
নারকেলের প্যারাকি
২০০ গ্রামের মতো ময়দা নিয়ে নিন। তাতে এক চামচ ঘি, ৪ টেবিলচামচ খোয়া ক্ষীর, বেকিং পাউডার ও জল দিয়ে শক্ত করে মেখে নিন। এ বার কিছুক্ষণ ঢেকে রাখুন। ননস্টিক প্যানে ঘি গরম করে তাতে নারকেল, বাকি খোয়া ক্ষীর, চিনি ও এলাচগুঁড়ো দিয়ে ভাল করে পাক দিন। পুর তৈরি হয়ে গেলে ঠান্ডা করুন। এ বার ময়দা থেকে লেচি কেটে ছোট ছোট লুচির আকারে বেলে নিন। তাতে ক্ষীর ও নারকেলের পুর দিয়ে অর্ধচন্দ্রাকার আকারে গড়ে নিন। ধারগুলি মুড়ে নিয়ে তেলে মাঝারি আঁচে সোনালি করে ভেজে নিন।
কেশর ভাপা
কেশর ভাপা
দুধ কাটিয়ে ছানা তৈরি করে নিন। একটি থালায় ছানা, চিনি, কাজুবাদামকুচি, পেস্তাকুচি, কেশর একসঙ্গে মাখুন। এ বার কয়েকটি ছোট ছোট পাত্রে ওই ছানার মণ্ড পুরে দিন। উপর থেকে কেশর ছড়ান। একটি ছড়ানো পাত্রে জল গরম করে তার উপর পাত্রগুলি বসিয়ে দিন। ভাপানো হয়ে গেলে কিছুক্ষণ রেখে নামিয়ে পরিবেশন করুন। উপরে আরও কিছুটা ড্রাই ফ্রুট্স ছড়িয়ে দিতে পারেন।