বৃষ্টির দিনে পাতে থাকুক অড়হর ডাল। কিন্তু তাতেই মিশুক গুজরাতি ‘টুইস্ট’। কেবল ডাল নয়, এ বার বানিয়ে নিন ডাল ধোকলির সুস্বাদু পদ। রন্ধনশিল্পী সঞ্জীব কপূরের নিজস্ব রেসিপি এটি। এতে হিংয়ের সুবাসও যেমন থাকবে, মিশবে কোকাম ফলের পাঁপড়িও। কী ভাবে সহজে বানানো যায় ডাল ধোকলি? রইল রেসিপি।
উপকরণ
ডাল বানানোর সামগ্রী
দেড় কাপ ভাঙা অড়হর ডাল
এক চিমটে হলুদগুঁড়ো
এক টেবিলচামচ কাঁচা চিনেবাদাম
দেড় টেবিলচামচ ঘি
১ চা-চামচ সর্ষে
এক চিমটে মেথিদানা
এক চিমটে হিং
২টি চিরে রাখা শুকনোলঙ্কা
১৬-১৮টি কারিপাতা
১ চা-চামচ আদা-লঙ্কাবাটা
১ চা-চামচ গ্রেট করা গুড়
কোকাম ফলের একটি পাঁপড়ি (জলে ভেজানো)
১ চা-চামচ লেবুর রস
১টি ছোট পেঁয়াজ (কুচোনো)
টাটকা ধনেপাতা (কুচোনো)
স্বাদমতো নুন
ধোকলি বানানোর সামগ্রী
এক কাপের তিন-চতুর্থাংশ আটা
আধ কাপ বেসন
এক চিমটে হলুদগুঁড়ো
আধ চা-চামচ লঙ্কাগুঁড়ো
এক চিমটে হিং
আধ চা-চামচ আদা-লঙ্কাবাটা
পরিমাণমতো তেল
স্বাদমতো নুন
প্রণালী
এক চিমটে হলুদগুঁড়ো, নুন এবং কাঁচা চিনেবাদাম মিশিয়ে অড়হর ডাল প্রেশার কুকারে সেদ্ধ করে নিন। ৩-৪টি সিটি দিলেই বন্ধ করে দিতে পারেন গ্যাস।
অন্য দিকে, ধোকলি বানানোর জন্য প্রথমে আটা ও বেসনে জল দিয়ে ভাল করে মেখে নিন। তার পর এতে নুন, হলুদগুঁড়ো, লঙ্কাগুঁড়ো, হিং, আদা-লঙ্কাবাটা দিয়ে আবারও মাখতে থাকুন। মণ্ড তৈরি হয়ে যাওয়ার পর ২ চা-চামচ তেল দিয়ে শেষ বারের মতো মেখে রেখে দিন।
একটি কড়াইয়ে ঘি গরম করে সর্ষে, মেথি, হিং, গোটা শুকনোলঙ্কা, কারিপাতা দিয়ে ১-২ সেকেন্ড নাড়িয়ে তাতে সেদ্ধ করে রাখা ডালটুকু ঢেলে দিন। ফোড়নের পর তাতে দেড় কাপ জল দিয়ে আরও খানিকক্ষণ ফুটিয়ে নিন। ২-৩ মিনিট পর গ্যাস বন্ধ করে দিন।
এ বার মণ্ডটি দু’টি সমান ভাগে ভাগ করে নিন। তার পর অল্প তেল মিশিয়ে বেলতে শুরু করুন মস্ত রুটির মতো করে। তারপর হিরের আকারে পাতলা পাতলা টুকরো কেটে নিন ছুরি দিয়ে। প্রস্তুত হয়ে গেল ধোকলি।
এ বার ডালের মধ্যে এই ধোকলিগুলি দিয়ে দিন, সঙ্গে আদা-লঙ্কাবাটা, প্রয়োজনমতো নুন, গুড়, কোকামের পাপড়ি মিশিয়ে ঢাকনা দিয়ে ফুটিয়ে নিন ১০-১৫ মিনিট।
পরিবেশনের আগে তাতে অল্প লেবুর রস মিশিয়ে দিতে হবে। তার পর পেঁয়াজকুচি, ধনেপাতাকুচি ছড়িয়ে দিয়ে গরম গরম করে পরিবেশন করুন।