মরসুমি সব্জি বাদ দিলে থোড়, মোচা মোটামুটি বছরভরই খাওয়া হয়। থোড় হল কলাগাছের কাণ্ডের নরম, রসালো অংশটি। পুষ্টিগুণে ভরপুর থোড় বহু দিন ধরেই জায়গা করে নিয়েছে হেঁশেলে। ভর্তা থেকে ভাজা, ঘণ্ট— খাওয়া হয় নানা ভাবেই। তবে সর্ষে, নারকেলের মিশেলে বানিয়ে দেখুন পাতুরি। ভাতের পাতে বা নিরামিষ খাওয়ার দিনে, এটিই হয়ে উঠবে মধ্যমণি।
উপকরণ
মাঝারি আকারের কচি থোড়
এক কাপ নারকেল কোরা
৪ টেবিল চামচ সর্ষেবাটা
২ টেবিল চামচ সর্ষের তেল
৫-৬টি কাঁচালঙ্কা
স্বাদমতো নুন এবং চিনি
কলাপাতা
প্রণালী: থোড় কুটতে হবে রোঁয়া বা আঁশ বাদ দিয়ে। থোড় চাকা চাকা করে কাটার সময় আঁশগুলি ফেলে দিন। তার পর আবার পাতলা করে লম্বালম্বি কেটে নিন। নুন দিয়ে থোড় ভাপিয়ে হাত দিয়ে ভাল করে মেখে নিন। বাড়তি আঁশ এই ভাবেও বেরিয়ে যাবে।
থোড় দিয়ে বানিয়ে ফেলুন পাতুরি। ছব:সংগৃহীত।
থোড়ের জল ঝরিয়ে, নারকেল কোরা, সর্ষে এবং কাঁচালঙ্কাবাটা, নুন, চিনি, সর্ষের তেল দিয়ে ভাল করে মাখিয়ে নিন।
চৌকো করে কাটা কলাপাতা আঁচে হালকা সেঁকে নিন। এতে পাতুরি মোড়ার সময় কলাপাতা ফেটে যাবে না। কলাপাতায় সর্ষের তেল মাখিয়ে থোড়, নারকেল, সর্ষের মিশ্রণ দিয়ে উপর থেকে চেরা কাঁচালঙ্কা দিয়ে পাতা মুড়ে নিন। তার পরে সেগুলি তাওয়ায় অল্প তেল দিয়ে আঁচ কমিয়ে উল্টে-পাল্টে দিন।
গরম ভাতে থোড়ের পাতুরি দারুণ লাগবে। নারকেলের মিষ্টত্বের সঙ্গে সর্ষে এবং সর্ষের তেলে ঝাঁঝ এবং লঙ্কার ঝাল-গন্ধ মিশলে তা খেতে লাগবে অনবদ্য। তবে নুনের মাত্রা ঠিক থাকা জরুরি।