গোয়া বললেই সমুদ্র, পাহাড়, হেলে পড়া নারকেল গাছের সারি— এমন দৃশ্যই মানসপটে ভেসে ওঠে। পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলটির খ্যাতি জগৎজোড়া। তবে শুধু পর্যটনের জন্য নয়, গোয়ার সুনাম তার নিজস্ব খাবারের জন্যও। সমুদ্র তীরবর্তী বলেই এখানকার খাবারের নারকেলের ব্যবহার যথেষ্ট। গরমের জায়গা বলে শরীর ঠান্ডা রাখতে ব্যবহার হয় টকও। ঝালও থাকে তাতে। গোয়ার সামুদ্রিক খাবার বেশি জনপ্রিয়। তারই একটি গোয়ান প্রন কারি। বাঙালি হেঁশেলে চিংড়ি দিয়ে মালাইকারি প্রায়ই হয়। একঘেয়ে রান্না ছেড়ে এক বার চেখে দেখুন গোয়ান কায়দায় তৈরি চিংড়ির কারি।
উপকরণ
৪০০ গ্রাম চিংড়ি
আধ কাপ নারকেল কোরা
আধ কাপ নারকেলের দুধ
শুকনো লঙ্কা ২-৩টি
আরও পড়ুন:
লঙ্কার গুঁড়ো ১ চা চামচ
হলুদ ১ চা-চামচ
৪-৫টি কাঁচালঙ্কা
একটি বড় পেঁয়াজ কুচি
এক টেবিল চামচ তেঁতুলের ক্বাথ
৮-১০টি রসুন কোয়া
এক ইঞ্চি আদা
১ টেবিল চামচ গোটা ধনে
কিছুটা ধনেপাতা কুচি
রান্নার জন্য নারকেল তেল বা সাদা তেল
স্বাদমতো নুন, চিনি
প্রণালী: মিক্সারে নারকেল কোরা, তেতুলের ক্বাথ, হলুদ, শুকনো লঙ্কা, লঙ্কার গুঁড়ো, রসুন, আদা, ধনে দিয়ে ঘুরিয়ে নিন। মিহি করে বাটতে হবে। ফলে অল্প জলও যোগ করে দিন।
কড়াইয়ে তেল গরম হলে দিয়ে দিন পেঁয়াজ কুচি এবং রসুন কুচি। চিংড়ি নুন-হলুদ দিয়ে হালকা ভেজে নিন। যোগ করুন বেঁটে রাখা নারকেলের মিশ্রণ। মশলা কষে তেল ছেড়ে এলে যোগ করুন নারকেলের দুধ। নুন-মিষ্টি দেখে নিন।
গোয়ান প্রন কারি, খুবই জনপ্রিয় খাবার। সাধারণত গোয়ান খাবারটিতে টক স্বাদের জন্য কোকাম ব্যবহার হয়। রান্নাটি হয় নারকেল তেলে। তবে নারকেলের তেলের খাবার খেতে না পারলে, সাদা তেলেও রান্নাটি করা যাবে।