ছুটির দিনে মুইঠ্যা বানাবেন বলে সারা সকাল নানা জায়গার বাজারে চিতল মাছ খুঁজে বেড়ালেন। অথচ সে মাছের দেখা পাওয়া গেল না। এ দিকে বাড়িতে তো মুইঠ্যা বানানোর তোড়জোড় করা হয়ে গিয়েছে। তা হলে কি মুইঠ্যা খাওয়া হবে না? চিন্তা নেই। চিতলের বদলে চিংড়ি দিয়েই কাজ চালিয়ে নিতে পারেন। মুসুর ডাল আর চিংড়ির যুগলবন্দিতে বানানো মুইঠ্যা একবার খেলে, তার স্বাদ অনেক দিন মনে থেকে যাবে। জেনে নিন রন্ধনপ্রণালী।
উপকরণ:
২ কাপ চিংড়িবাটা
১ চাপ মুসুরির ডালবাটা
৩ টেবিলচামচ পেঁয়াজকুচি
১ চা-চামচ রসুনকুচি
১ টেবিলচামচ কাঁচালঙ্কাকুচি
স্বাদমতো নুন
২ চা-চামচ হলুদগুঁড়ো
২ চা-চামচ জিরেগুঁড়ো
২ চা-চামচ লঙ্কাগুঁড়ো
১ চা-চামচ ধনেগুঁড়ো
১টি আলু (ডুমো করে কাটা)
পরিমাণমতো সর্ষের তেল
১টি তেজপাতা
১ চা-চামচ গোটা জিরে
১টি শুকনোলঙ্কা
১টি পেঁয়াজ (বড় মাপের)
৭-৮ কোয়া রসুন
৪-৫টি কাঁচালঙ্কা
১টি টম্যাটো
১ ইঞ্চি আদা
১ চা-চামচ গরমমশলার গুঁড়ো
১ টেবিল চামচ ঘি
৩-৪টি চেরা কাঁচালঙ্কা
প্রণালী:
একটি বাটিতে চিংড়িমাছবাটা, মুসুরডালবাটার সঙ্গে মিহি করে কুচোনো পেঁয়াজ, রসুন আর কাঁচালঙ্কা মিশিয়ে দিন। এর পর একে একে নুন, লঙ্কাগুঁড়ো, জিরেগুঁড়ো, হলুদগুঁড়ো দিয়ে ভাল করে মেখে নিন। খানিকটা করে মিশ্রণ হাতে নিয়ে মুইঠ্যার আকারে গড়ে গরম তেলে লালচে করে ভেজে নিন। এ বার পেঁয়াজ, আদা, রসুন, কাঁচালঙ্কা মিক্সিতে ঘুরিয়ে একটি মিশ্রণ বানিয়ে নিন। কড়াইতে তেল গরম করে জিরে, তেজপাতা, শুকনোলঙ্কা ফোড়ন দিয়ে বাটামশলা দিয়ে ভাল করে ভেজে নিন। তার পর মিশ্রণে গুঁড়োমশলা দিয়ে মিনিট পাঁচেক কষিয়ে নিন। তেল ছেড়ে এলে জল গরম করে দিয়ে দিন। ঝোল ফুটে উঠলে মুইঠ্যাগুলি দিয়ে মিনিট দুয়েক ফুটিয়ে নিন। শেষে ঘি, গরমমশলার গুঁড়ো আর চেরা কাঁচালঙ্কা দিয়ে ঢেকে দিয়ে গ্যাস বন্ধ করে দিন। গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন ডাল-চিংড়ির মুইঠ্যা।