বর্ষার মরসুম মানেই মাছের ডিম। শুধু যে ইলিশ নয়। রুই, কাতলা-সহ বিভিন্ন মাছেরই ভাল মানের ডিম পাওয়া যায় এখন। ডিমের মুচমুচে বড়ার স্বাদ সবসময়েই জনপ্রিয়। তা দিয়েই রান্নাতেও বদল আনা যেতে পারে। মাছের ডিম দিয়ে বানিয়ে ফেলতে পারেন কষা কষা ধোঁকার ডালনা।
উপকরণ
৩০০ গ্রাম মাছের ডিম (রুই বা কাতলার)
৩টি বড় মাপের পেঁয়াজের কুচি
৮-১০টি কাঁচালঙ্কা
৩ টেবিলচামচ আদা বাঁটা
আরও পড়ুন:
৩ টেবিলচামচ রসুন বাঁটা
১টি বড় টম্যাটো
১টি বড় আলু টুকরো করে কাটা
১ টেবিলচামচ হলুদ
১ টেবিলচামচ গোটা জিরে
১টি তেজপাতা
১ চা-চামচ ধনেগুঁড়ো
১ চা-চামচ গরম মশলা
১ টেবিল চামচ কাশ্মীরি লঙ্কার গুঁড়ো
স্বাদমতো নুন
রান্নার জন্য তেল
প্রণালী: মাছের ডিমে পেঁয়াজ, কাঁচালঙ্কা কুচি, ২ টেবিল চামচ আদা-রসুন বাটা, স্বাদমতো নুন মিশিয়ে এবং অল্প সর্ষের তেল দিয়ে ভাল করে মেখে নিন।
ননস্টিক কড়াইয়ে অল্প কিছুটা তেল দিয়ে ভাল করে গরম করে নিন। তেলটি কড়াইয়ে ভাল করে মাখিয়ে তাতে মাছের ডিম দিয়ে খুন্তির সাহায্য ছড়িয়ে দিন। উপরটি যেন সমান হয়। আঁচ কমিয়ে ঢাকা দিয়ে দিন। ১৫-২০ মিনিটের মধ্যে ভাপেই সেটি রান্না হয়ে যাবে। ঢাকনা খুলে টুথ পিক গিঁথে দেখে নিন ডিম সুসিদ্ধ হয়েছে কিনা। হয়ে গেলে কড়া থেকে নামিয়ে ধোঁকার মতো চৌকো করে কেটে নিন।
কড়াইয়ে তেল দিয়ে তেজপাতা, জিরে ফোড়ন দিন। টুকরো করে কাটা আলু নুন, হলুদ দিয়ে ভেজে তুলে রাখুন। দিয়ে দিন পেঁয়াজ বাটা, আদা, রসুন এবং কাঁচালঙ্কা বাটা। খুব ভাল করে কষাতে হবে। দিয়ে দিন নুন, হলুদ, কাশ্মীরি লঙ্কার গুঁড়ো, ধনেগুঁড়ো। মশলা কষে তেল ছাড়লে দিতে হবে টম্যাটো বাটা। আরও কিছুক্ষণ কষান যত ক্ষণ না তেল ছাড়ছে। এই অবস্থায় আলুর টুকরো দিয়ে আরও ২মিনিট রান্না করে গরম জল ঢেলে দিন। ঝোল ফুটে একটু ঘন হয়ে গেলে দিতে হবে ডিমের ধোঁকা। ঢাকা দিয়ে মিনিট ৫-৭ রান্না হতে দিন। সবশেষে গরম মশলা দিয়ে নামিয়ে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে মাছের ডিমের ধোঁকার ডালনা।