বৃষ্টিতে মাঝেমধ্যেই খিচুড়ি খেতে ইচ্ছে করছে, তাই না? কিন্তু খিচুড়ি মানেই সঙ্গে আলু ভাজা, বেগুন ভাজা অথবা মাছ ভাজা। সব সময়ে অত রান্না করতে ইচ্ছে করে না। চাল আর ডাল, সঙ্গে সব্জি আর মশলা— এই দিয়ে প্রেশার কুকারে বসিয়ে কত সহজে রান্না হয়ে যায়। সেখানে ভাজাভুজির ঝক্কি পোহাতে ইচ্ছে করে না সব সময়ে। সে ক্ষেত্রে সহায় হতে পারে ঝাল ঝাল চিংড়ির আচার। নামমাত্র উপকরণে সুস্বাদু খাবার বানিয়ে নিতে পারেন ঘরে। খিচুড়ির জুড়িদার হিসাবে জমে যাবে ভোজ।
শিখে নিন চিংড়ির আচারের রেসিপি
উপকরণ
আধ কেজি চিংড়ি
১ কাপ ভিনিগার
২-৩ টেবিলচামচ আদাকুচি
২-৩ টেবিলচামচ রসুন
৩ টেবিলচামচ লঙ্কাগুঁড়ো
আধ কাপ তিলের তেল
স্বাদমতো নুন
২ চা-চামচ মেথিদানা
প্রণালী
চিংড়ি ভাল করে পরিষ্কার করে নিতে হবে প্রথমে। তার পর নুন, ২ চা-চামচ লঙ্কাগুঁড়ো, ২ চা-চামচ ভিনিগার দিয়ে চিংড়ি ভাল করে মাখিয়ে ফ্রিজে ভরে রেখে দিন এক ঘণ্টা।
অন্য দিকে, মেথিদানা শুকনো খোলায় নেড়েচেড়ে রোস্ট করে রাখুন। তার পর সেগুলি মিক্সার গ্রাইন্ডারে ঘুরিয়ে গুঁড়ো করে নিন।
এক কাপ ভিনিগার এক বার গ্যাসে চাপিয়ে ফুটিয়ে নিন। সব প্রস্তুত করা থাক যাতে সহজে আচারটা বানানো যায়।
এ বার কড়াইয়ে তিলের তেল গরম করুন। চিংড়িগুলি ছেঁকে তুলে নিন।
ওই তেলেই লম্বা এবং সরু করে কাটা আদাগুলি ফেলে দিন। খানিক নাড়াচাড়া করার পর রসুন ঢেলে দিন। তার পর মেথিও দিয়ে দিন তাতে। একসঙ্গেই নেড়ে নিন কড়াইয়ে। শেষে শুকনোলঙ্কার গুঁড়ো দিয়ে গ্যাস নিভিয়ে ঠান্ডা করতে দিন।
এ বার এতে ভেজে রাখা চিংড়িগুলি মিশিয়ে দিন। স্বাদমতো নুন এবং ভিনিগার দিয়ে দিন। ভাল করে নাড়িয়ে নিয়ে নিন।
তৈরি হয়ে গেল চিংড়ির আচার! পুরোপুরি ঠান্ডা হয়ে গেলে কাচের শিশিতে ভরে রেখে দিন।