ভারতের অধিনায়ক হিসাবে এখনও শুভমন গিল উন্নতি করে চলেছেন। যত দিন যাবে ততই তিনি অভিজ্ঞ হয়ে উঠবেন। এমনই মনে করেন আশিস নেহরা। রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি বিশ্বকাপে খেলবেন কি না তা নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করতে চাননি। তবে ভারতের কোচ হতে যে আগ্রহী সেই ইঙ্গিত দিয়েছেন।
সিএবি-র বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে শহরে এসেছিলেন নেহরা। গুজরাতের কোচ হিসাবে গত দু’বছর শুভমনের নেতৃত্ব কাছ থেকে দেখেছেন। সেখানেই একটি টক শোয়ে হার্দিক পাণ্ড্যের সঙ্গে শুভমনের নেতৃত্বের তুলনা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
নেহরা বলেন, “শুভমন একটু চাপা, লাজুক। তাতে অসুবিধা নেই। সকলেই আলাদা হয়। ঠিক-ভুল কিছু নেই। হার্দিক পাণ্ড্যের মতো অত কথা বলতে দেখিনি শুভমনকে। তবে যা বলে সরাসরি বলে। শেখা এবং দেখার ব্যাপারে খুব আগ্রহী। এখনও উন্নতি করছে। মাত্র ২৬-২৭ বছর বয়স। দীর্ঘদিন ধরে নেতৃত্ব দিচ্ছে না। সবে এক-দু’মরসুম গিয়েছে। নতুন কিছু শিখলে আরও উন্নতি করবে।”
গুজরাতের কোচ হিসাবে নেহরা দলকে আইপিএল জিতিয়েছেন, ফাইনালেও তুলেছেন। কোনও দিন যদি ভারতের কোচ হওয়ার প্রস্তাব আসে? নেহরার জবাব, “উচ্চাকাঙ্ক্ষায় বিশ্বাসী নই। তবে ভারতের কোচ হলে সম্মানিত বোধ করব। কখনও এ ভাবে পরিকল্পনা করিনি। দেখা যাক ভবিষ্যতে কী হয়। এখন যেখানে আছি খুশিতে আছি। অনেকেই বলে গুজরাতের কোচ হিসাবে আমি দারুণ কাজ করেছি। কিন্তু আমি একা নয়। গোটা দলের অবদান রয়েছে। হ্যাঁ, ভারতের মতো দেশে কোচ, অধিনায়ককে সব কৃতিত্ব দেওয়া হয়। আমি তার বিরুদ্ধে। দলগত খেলায় শুভমন জিতেছে বা নেহরা জিতেছে বলে কিছু হয় না। গুজরাত জেতে।”
আরও পড়ুন:
-
দলীপ ফাইনালে ২৭০! নেতৃত্বই বদলে দিয়েছে ঈশানকে, ‘অবাধ্য’ থেকে ‘বাধ্য’ হওয়ার যাত্রা বর্ণনা করলেন পূর্বাঞ্চলের অধিনায়ক
-
সিএবির পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে নেহরা, রাজ্য ক্রিকেট সংস্থার সম্মান উৎপল, শামিদের
-
ট্রায়ালে হাজির সাড়ে ৭ হাজার! বেছে নেওয়া হল মাত্র চার জনকে, মহিলা দলের জোরে বোলিংয়ের প্রতিভা খুঁজছে বোর্ড
পরের বছর এক দিনের বিশ্বকাপে রোহিত এবং কোহলি খেলবেন কি না তা নিয়ে অনেক দিন ধরে জল্পনা চলছে। নেহরার সাফ কথা, “যে কোনও খেলাতেই ২-৩ সপ্তাহ আগে পরিস্থিতি বদলে যেতে পারে। যদি ওরা ভাল খেলে তা হলে কেন বিশ্বকাপে খেলবে না? এই ধরনের ক্রিকেটারদের বাদ দেওয়া কোনও কোচ বা অধিনায়কের পক্ষে সহজ নয়। ওরা আগে কী করেছে তা নিয়ে আলোচনা করছি। আগামী ১৩ মাস লম্বা সময়। তাই এখনই বলা মুশকিল রোহিত আর কোহলি খেলবে কি না। ওদের কাছে বয়স স্রেফ সংখ্যা।”