ইমরান খানের সমর্থনে একে একে সোচ্চার হচ্ছেন ক্রিকেটারেরা। প্রাক্তন ক্রিকেটার এবং ইমরানের সতীর্থেরা আগেই খোলা চিঠি লিখেছিলেন পাকিস্তান সরকারকে। পরে মুখ খুলেছিলেন প্যাট কামিন্স। এ বার ইমরানের হয়ে সরব ব্রায়ান লারা। নাম না করে পাকিস্তান সরকারকে তোপ দেগে জানিয়েছেন, সাধারণ মানবিকতাটুকু অন্তত দেখানো উচিত একজন কিংবদন্তির জন্য।
২০২৩ থেকে রাওয়ানপিন্ডির আদিয়ালা জেলে বন্দি ইমরান। সে দেশের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সম্প্রতি কয়েক ঘণ্টার জন্য হাসপাতালে নিয়ে স্বাস্থ্যপরীক্ষা করানো হলেও আবার জেলে ভরে দেওয়া হয়।
লারা শনিবার সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, “ইমরান খানের সঙ্গে আমার মাত্র কয়েক বারই দেখা হয়েছে। কিন্তু ওঁর প্রতি সমীহ ছিলই এবং থাকবে চিরকালীন। যিনি নিজের কেরিয়ারের তুঙ্গে থাকার সময় পাকিস্তানের আশার আলো, গর্ব এবং অনুপ্রেরণা ছিলেন, তিনি কী করে এমন অবস্থায় পৌঁছলেন তা ভাবতে আমার কষ্টই হচ্ছে। ওঁর যত্ন এবং চিকিৎসা হচ্ছে না। সেই সহমর্মিতা এবং সম্মান দেওয়া হচ্ছে না যার যোগ্য উনি।”
লারা আরও লিখেছেন, “আমি প্রাক্তন অধিনায়কদের সঙ্গেই রয়েছি। প্রতিটি মানুষ যে যথাযথ, স্বাধীন চিকিৎসা এবং সম্মানের যোগ্য তা দেওয়া হোক ওঁকেও। এটা রাজনীতি নয়। আমাদের খেলার একজন কিংবদন্তির প্রতিটি সাধারণ একটা মানবিকতা।”
আরও পড়ুন:
১৯৯০-এর শেষের দিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের পাকিস্তান সফরে লারা এবং ইমরান চারটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছিলেন একে অপরের বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যেই ভারতের সুনীল গাওস্কর ও কপিলদেব, অস্ট্রেলিয়া গ্রেগ চ্যাপেল দাবি তুলেছেন ইমরানের সঠিক চিকিৎসার। কামিন্সও অনুরোধ করেছেন সম্মানের সঙ্গে ইমরানের চিকিৎসা করানোর।
তবে পাকিস্তান সরকারের মনোভাব অনড়ই। সম্প্রতি লর্ডসে পাকিস্তান-ইংল্যান্ড ম্যাচ চলাকালীন ইমরানের দুই সন্তান সুলেমান এবং কাসিমের সাক্ষাৎকার নিয়েছিলেন মাইক আথারটন। প্রতিবাদে মধ্যাহ্নভোজের পর মাঠে দল না নামানোর ‘হুমকি’ দিয়েছিল পাকিস্তান। পরে অবশ্য দলের প্রত্যেকেই তা অস্বীকার করেছেন।