প্রায় দু’ঘণ্টার কাছাকাছি অপেক্ষা করা হয়েছিল। ম্যাচ কমে হয়েছিল ৯ ওভারের। তাতেও শেষ করা গেল না ভারত বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের পঞ্চম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। ভারতের ইনিংসে স্কোর যখন ৭.৪ ওভারে ১১৮/৫, তখন আবার বৃষ্টি নামে। সেই বৃষ্টি শেষ না হওয়ায় রাত ১০.১৬ নাগাদ ম্যাচ ভেস্তে যাওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়। এ দিনই জাতীয় দলের হয়ে চার বছর বাদে প্রত্যাবর্তন হল ভুবনেশ্বর কুমারের। তবে আবহাওয়ার কারণে বল করার সুযোগ পেলেন না তিনি। শ্রেয়স আয়ারদের সিরিজ়ও জেতা হল না।
পূর্বাভাসমতোই ম্যাচের আগে থেকে বৃষ্টি শুরু হয় বেঙ্গালুরুতে। নির্ধারিত সময় টসও করা যায়নি। ম্যাচের সময় ক্রমশ পিছোতে থাকে। এক সময় মনে করা হয়েছিল ম্যাচ শুরুই করা যাবে না। শেষ পর্যন্ত ৮.৩০টার কাছাকাছি বৃষ্টি থামার পর মাঠের আবরণ সরাতে শুরু করেন মাঠকর্মীরা। স্টাম্প বসানো হয়। দুই দলের অধিনায়ক টসের জন্য প্রস্তুত হতে থাকেন।
রাত ৯টায় জানানো হয়, ১৫ মিনিট পর খেলা শুরু হবে। ৯ ওভারের ম্যাচ হবে। টসে জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের অধিনায়ক শেই হোপ।
নির্ধারিত সময়েই ম্যাচ শুরু হয়। প্রথম ওভারের তৃতীয় বলটি ‘নো’ করেন কিমো পল। পরের বলে পাঁচটি ওয়াইড রান হয়। চতুর্থ বলে পলকে ছয় মেরে পরের বলেই ফিরে যান অভিষেক শর্মা (৬)।
দ্বিতীয় ওভারে তাণ্ডব শুরু করেন ঈশান কিশন। রোমারিয়ো শেফার্ডের ওভারটি তিনি শুরুই করেন ছয় মেরে। সেই ওভারে দু’টি ছয় এবং দু’টি চার-সহ ২৪ রান আসে। ঈশানকে ফিরতে হয় তৃতীয় ওভারেই। শামার জোসেফের বলে মারতে গিয়ে রভমান পাওয়েলের হাতে ক্যাচ দেন ঈশান (৩০)। সেই ওভারেই ছয় ও চার মেরে ভারতের রান ৫০ পার করে দেন সঞ্জু স্যামসন।
চতুর্থ ওভারে গুডাকেশ মোটি মাত্র ১০ রান দেন। সঞ্জুর একটি চার ছাড়া বলার মতো কিছু ছিল না। পঞ্চম ওভারে সঞ্জুকে (১৬) ফিরিয়ে দেন শামার স্প্রিঙ্গার। ষষ্ঠ ওভারে দু’বার জীবন পান শ্রেয়স। প্রথম বলে নিজের ভুলে কোনও মতে রান আউট হওয়া থেকে বাঁচেন। চতুর্থ বলে শ্রেয়সের ক্যাচ ফেলেন শেরফানে রাদারফোর্ড।
শ্রেয়স অবশ্য বেশি ক্ষণ টিকতে পারেননি। সপ্তম ওভারেই কিমো পল ফেরান ভারতের অধিনায়ককে (২২)। নমন ধীর ক্রিজে এসেই পলকে দু’টি ছয় এবং একটি চার মেরে ভারতের রান ১০০ পার করে দেন। সপ্তম ওভারে তিলককে (৭) স্প্রিঙ্গার আউট করার পরেই আবার বৃষ্টি নামে। মাঠকর্মীরা পিচ আবরণে ঢেকে দেন।
আরও পড়ুন:
ওয়েস্ট ইন্ডিজ়কে রান তাড়া করতে ন্যূনতম পাঁচ ওভার দেওয়ার জন্য খেলা ১০.২১-এর মধ্যে শুরু করতে হত। ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮৪। তবে নাগাড়ে বৃষ্টি পড়তে থাকায় খেলা আবার শুরু করার কোনও সম্ভাবনাই তৈরি হয়নি। রাত ১০.১৬ নাগাদ ম্যাচ ভেস্তে যাওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়।