Advertisement
E-Paper

দলীপ ফাইনালে ৫৮৪ রানে এগিয়ে পূর্বাঞ্চল, ট্রফি প্রায় হাতের মুঠোয় ঈশানদের, চতুর্থ দিনে চিন্তায় রাখল বাংলার দুই ব্যাটারের ফর্ম

দলীপ ট্রফির ফাইনালে চতুর্থ দিনের শেষে পূর্বাঞ্চল এগিয়ে ৫৮৪ রানে। আর এক দিনেরই খেলা বাকি। ফলে প্রথম ইনিংসে এগিয়ে থাকার সুবাদে ১৪ বছর পর দলীপ আসতে চলেছে পূর্বাঞ্চলের ঘরে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৭:৪৩
cricket

আউট হওয়ার পর ঈশানকে (বাঁ দিকে) সান্ত্বনা তিলকের। ছবি: পিটিআই।

প্রথম ইনিংসেই তারা এগিয়ে ছিল ৩৭২ রানে। দলীপ ট্রফির ফাইনালে চতুর্থ দিনের শেষে সেই লিড আরও বাড়িয়ে নিল পূর্বাঞ্চল। দিনের শেষে তারা এগিয়ে ৫৮৪ রানে। আর এক দিনেরই খেলা বাকি। ফলে প্রথম ইনিংসে এগিয়ে থাকার সুবাদে ১৪ বছর পর দলীপ আসতে চলেছে পূর্বাঞ্চলের ঘরে। দ্বিতীয় ইনিংসে ২১২/৫ তুলেছে তারা।

শেষ বার ২০১২-১৩ মরসুমে দলীপ জিতেছিল পূর্বাঞ্চল। তার আগের বছরেও ট্রফি জিতেছিল। সেই হিসাবে ১৪ বছর পর ট্রফি জেতার সামনে পূর্বাঞ্চল। তবে মাঝে পাঁচ বছর আঞ্চলিক ফরম্যাটে খেলা হয়নি। দু’বছর কোভিডের কারণে এই প্রতিযোগিতা হয়নি।

ঈশান কিশনের দ্বিশতরানে ভর করে প্রথম ইনিংসে ৭০৮ রান তুলেছিল পূর্বাঞ্চল। জবাবে ৩৩৬ রানে শেষ হয় দক্ষিণাঞ্চলের প্রথম ইনিংস। ৩৭২ রানে এগিয়ে ছিল পূর্বাঞ্চল। ভারতের ঘরোয়া ক্রিকেটে ম্যাচের ফয়সালা না হলে প্রথম ইনিংসে যে দল এগিয়ে থাকে তারাই জেতে। সেই হিসাবে পাঁচ দিনে দলীপ ফাইনালের ফলাফল না হলেও প্রথম ইনিংসে এগিয়ে থাকার সুবাদে ট্রফি জেতার কথা পূর্বাঞ্চলেরই। ক্রিকেট মহান অনিশ্চয়তার খেলা হলেও এখন পরিস্থিতি যা, তাতে পূর্বাঞ্চলকে হারতে হলে অলৌকিক কিছু হতে হবে।

তৃতীয় দিনের শেষে ২৪২ রানে ৬ উইকেট হারিয়েছিল দক্ষিণাঞ্চল। এ দিন সেখান থেকে খেলা শুরু করে তারা। তবে চামা মিলিন্দ এবং তিলকের জুটিকে বিপদে ফেলতেই পারছিলেন না পূর্বাঞ্চলের বোলারেরা। দু’জনে ধীরে ধীরে ইনিংস এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন। এমন সময় দক্ষিণাঞ্চলকে ধাক্কা দেন শিখর মোহন। তিনি ফেরান মিলিন্দকে (৪৩)। এর পরেই ধসে যায় দক্ষিণাঞ্চলের ইনিংস।

শতরানের দিকে এগিয়ে যেতে থাকলেও তিলক বুঝতে পেরেছিলেন সময় কম। তাই চালিয়ে খেলতে গিয়ে ৯৯ রানের মাথায় কৌনাইন কুরেশির বলে তাঁর হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান তিনি।

প্রচুর রানে এগিয়ে থাকলেও বোলারদের বিশ্রাম দিতে পূর্বাঞ্চল যে ফলো-অন করাবে না এটা প্রত্যাশিতই ছিল। সেটাই হয়। তবে পূর্বাঞ্চলের দুই ওপেনার রান পাননি। ৮ রানের মাথায় আচমকা এগিয়ে এসে খেলতে গিয়ে স্টাম্পড হয় বৈভব সূর্যবংশী। অপর ওপেনার অভিমন্যু ঈশ্বরণ প্রথম ইনিংসে অর্ধশতরান করলেও এ দিন ৩ রানেই ফিরে যান। রঞ্জি শুরুর আগে বাংলার ব্যাটারের ফর্ম চিন্তায় রাখবে। একই ভাবে সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি সুদীপ ঘরামিও। প্রথম ইনিংসে ব্যর্থতার পর দ্বিতীয় ইনিংসে ২ রানে আউট হন।

তার আগে পূর্বাঞ্চলের দুই ব্যাটার দাপট দেখান। ১৩ রানে ২ উইকেট হারানো পূর্বাঞ্চলকে চালকের আসনে বসিয়ে দেন ঈশান কিশন এবং মোহন। তৃতীয় উইকেটে ১২৬ রানের জুটি গড়েন ২৮.২ ওভারে। এর মধ্যে ঈশান প্রথম ইনিংসে দ্বিশতরানের পর দ্বিতীয় ইনিংসেও শতরানের দিকে এগোচ্ছিলেন। তবে ৮০ রানের মাথায় চালিয়ে খেলতে গিয়ে উইকেট দেন। ৫২ করেন মোহন।

এই দুই ব্যাটারের পাশাপাশি সুদীপও আউট হওয়ায় মিডল অর্ডার হঠাৎই চাপে পড়ে যায়। সেখান থেকে দলকে টানেন কুমার কুশাগ্র এবং কৌনাইন কুরেশি। কুশাগ্র ৩৪ এবং কুরেশি ২৬ রানে অপরাজিত। পঞ্চম দিনে আরও কিছুটা রান তুলে ইনিংস ডিক্লেয়ার করতে পারে পূর্বাঞ্চল। এর পর দক্ষিণাঞ্চলের কাছে বিকল্প থাকবে শুধু হার এড়ানোর।

Duleep Trophy Ishan Kishan East Zone South Zone

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy