লর্ডস টেস্টে পাকিস্তানের হারের পরেই জাতীয় নির্বাচকের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন মিসবাহ উল-হক। রবিবার তিনি পাকিস্তানের বোর্ডকর্তাদের সমালোচনা করেছেন। নাম না করে তাঁর আক্রমণের উদ্দেশ্য বোর্ডপ্রধান মহসিন নকভিই। পাশাপাশি মিসবাহ এটাও জানিয়েছেন যে কেন ভারত বার বার পাকিস্তানকে শাসন করে।
মিসবাহের মতে, পাক বোর্ড বিদেশি এবং দেশি কোচের মধ্যে যে তফাত তৈরি করে দেয় তার জন্যই দলের পতন হচ্ছে। প্রাক্তন অধিনায়কের কথায়, “পাকিস্তানে ক্রিকেটে স্থানীয় এবং বিদেশি কোচেদের সঙ্গে আলাদা ব্যবহার করা হয়। বিদেশিদের তুলনায় দেশি কোচেদের অনেক বেশি সমালোচিত হতে হয়। বিদেশি কোচেদের নিয়ে আমাদের সমস্যা নেই। কিন্তু আমরা (সমর্থক, সংবাদমাধ্যম, বোর্ড) বিদেশিদের প্রতি একটু বেশিই সহানুভূতিশীল।”
তাঁর দাবি, বিদেশি কোচেদের হাতে বেশি ক্ষমতাও দেয় বোর্ড। বলেছেন, “আমরা বিদেশি কোচেদের হাতে বেশি ক্ষমতা তুলে দিই। দল খারাপ খেললে কোচের দায় কম হয়। কিন্তু দেশি কোচ হলে তাঁকেই সমালোচিত হতে হয়।”
মিসবাহের মতে, এই কোচ পরিবর্তনে ক্রিকেটারদের আত্মবিশ্বাস ভেঙে যায়। তিনি ধারাবাহিকতা, ধৈর্য এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার পরামর্শ দিয়েছেন। মিসবাহের কথায় উঠে এসেছে ভারতও। তিনি জানিয়েছেন, কী ভাবে ভয় না পেয়ে ভারত পরিকল্পনায় বিশ্বাস রেখেছে এবং আজ তার ফল পাচ্ছে।
আরও পড়ুন:
-
অধিনায়ক না হয়েও বেঙ্গালুরুর আসল নেতা কোহলিই, কী ভাবে দলকে দু’বার আইপিএল জেতালেন, ফাঁস করলেন পাটীদার
-
৭০ মিনিটের লড়াইয়ে পিছিয়ে পড়েও চিন মাস্টার্স জিতলেন সাত্ত্বিক-চিরাগ, বছরের দ্বিতীয় ট্রফি ব্যাডমিন্টন জুটির
-
সাক্ষাৎকার-বিতর্কে মুখ খুললেন ইমরানের ছেলে, নকভিকে তোপ দেগে বললেন, ‘ওরা বোকার মতো কাজ করেছে’
এ প্রসঙ্গে রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলির উদাহরণ টেনে মিসবাহ জানিয়েছেন, কেন ভারত বার বার শাসন করছে পাকিস্তানকে। বলেছেন, “আমাদের তরুণ ক্রিকেটারেরা বড্ড বেশি সাদা বলের ক্রিকেট খেলছে। লাল বলের সঙ্গে পরিচিতি কম। যথেষ্ট চার দিনের ক্রিকেট খেলছে। ফলে চাপে পড়ার সম্ভাবনাও বাড়ছে। ভারত একটা পদ্ধতি অনুসরণ করতে সময় নিয়েছে। তার পর ৯০-এর দশক থেকে আস্তে আস্তে উন্নতি করেছে। দ্রুত কোনও কিছুরই সমাধান সম্ভব নয়।”