প্রথম তিনটি ম্যাচ জিতে টি-টোয়েন্টি সিরিজ় পকেটে পুরে নিলেও শুক্রবার চতুর্থ ম্যাচে হেরে গিয়েছে ভারত। নিউ জ়িল্যান্ডে গিয়ে প্রথম বার হারতে হয়েছে। হারের পর দলের ব্যর্থতার দায় নিয়েছেন অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। দোষ চাপিয়েছেন বোলারদের ঘাড়ে। পাশাপাশি, অকল্যান্ডের মাঠের সঙ্গে যে মানিয়ে নিতে পারেননি সেটাও মেনে নিয়েছেন।
ম্যাচের পর শ্রেয়স বলেছেন, “আজ বোলিং খুবই খারাপ হয়েছে আমাদের। পাওয়ার প্লে, বিশেষ করে তৃতীয় ওভারে ওরা যে ছন্দটা পেয়ে গেল সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়াতে পারিনি। দু’-একজন বোলার ওদের থামানোর চেষ্টা করলেও পারেনি। গ্লেন (ফিলিপস) দুর্দান্ত খেলেছে। অসাধারণ সব শট দেখে চোখ জুড়িয়ে গিয়েছে। ওর তারিফ করতেই হবে। সিরিজ় জুড়ে ভাল খেলেছে। ওর থেকে অনেক কিছু শেখার আছে।”
শ্রেয়স মনে করেন, ভুল থেকে শুধরে পরের ম্যাচেই ঘুরে দাঁড়াতে হবে তাঁদের। সময় বেশি না থাকাও ভাবাচ্ছে তাঁকে। বলেছেন, “নিজেদের ভুল খতিয়ে দেখা খুব দরকার। তাতে প্রত্যাবর্তনের রাস্তা প্রশস্ত হয়। এক দিনের বিরতিতে হ্যামিল্টনে যেতে হবে। ব্যক্তিগত ভাবে মনে করি, ড্রয়িং বোর্ডে ফিরে গিয়ে নিজেদের পারফরম্যান্সের বিশ্লেষণ করতে হবে এবং পরের ম্যাচে নিজেদের সেরা দক্ষতা কাজে লাগাতে হবে।”
আরও পড়ুন:
-
আল নাসেরের হয়ে ১৫ মিনিটে হ্যাটট্রিক রোনাল্ডোর! ১০০০ গোলের থেকে আর ১৫ গোল দূরে পর্তুগালের ফুটবলার
-
পাকিস্তানের কাছে হার ভারতের, এক ওভারে ৩১ রান দিলেন ক্রুণাল, হংকংয়ের প্রতিযোগিতায় শুরুতেই হোঁচট
-
আবার মুম্বইয়ের অধিনায়ক হচ্ছেন রোহিত! হার্দিকে মোহভঙ্গ পাঁচ বারের ট্রফি জয়ীদের, অনিচ্ছুক হয়েও রাজি হলেন প্রাক্তন নেতা
অকল্যান্ডের মাঠের আকার ঠিক ক্রিকেট মাঠের মতো নয়। কারণ রাগবির কথা ভেবে মাঠ তৈরি করা। সেই মাঠের সঙ্গে দলের অনেকেই মানিয়ে নিতে পারেননি বলে মনে করেন শ্রেয়স। বলেছেন, “মাঠের আয়তন কেমন, সেটা আমরা আগে থেকেই জানতাম। অনেকে প্রথম বার এই মাঠে খেলতে নেমেছিল। মানিয়ে নিতে কিছুটা সময় তো লাগেই। কাজটা সহজ নয়। কিন্তু প্রথম তিনটে ম্যাচে এরাই ভাল খেলেছে। আমার মতে, এই ম্যাচ আমাদের কাছে একটা শিক্ষা। পরের বার ওরা এই মাঠে খেলতে নামলে ভাল ধারণা নিয়ে নামতে পারবে। আশা করি ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে পরের ম্যাচে ফিরতে পারব।”