মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে পাঁচটি ট্রফি দিয়েছিলেন তিনিই। নেতৃত্ব থেকে সরে যাওয়ার পর ট্রফি জেতার ধারেকাছেও পৌঁছতে পারেনি তাঁর দল। সেই রোহিত শর্মাকেই আবার অধিনায়ক পদে ফেরাচ্ছে মুম্বই। সব ঠিক থাকলে, পরের বছর মুম্বইয়ের অধিনায়ক হিসাবে দেখা যাবে রোহিতকে। প্রথমে অনিচ্ছুক হলেও দল পরিচালন সমিতির অনুরোধে রাজি হয়েছেন তিনি।
জানা গিয়েছে, গত আইপিএলের মাঝপথেই হার্দিককে সরিয়ে রোহিতকে অধিনায়ক করতে চেয়েছিল মুম্বই। সেই সময় মুম্বই খারাপ খেলছিল। শেষ পর্যন্ত তা হয়নি। তবে হার্দিককে যে নেতা রাখা হবে না, তা অনেক আগেই ঠিক হয়ে গিয়েছিল। প্রশ্ন ছিল, অধিনায়ক কে হবেন? দলে সূর্যকুমার যাদব এবং জসপ্রীত বুমরাহের মতো ক্রিকেটার রয়েছেন। তিলক বর্মার মতো তরুণ ক্রিকেটারও আছেন। তবু অভিজ্ঞ রোহিতকেই দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
দলের এক সূত্র ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’কে বলেছেন, “রোহিত প্রথমে তিলকের নাম করেছিল। কিন্তু দলের তরফে তাঁকেই নেতৃত্বের দায়িত্ব নিতে বলা হয়। রোহিত রাজি হয়েছে। নিউ জ়িল্যান্ডে যাওয়ার আগে রোহিতের সঙ্গে কয়েক দফা আলোচনা হয়েছে। নতুন কোচেদের নিয়োগের ব্যাপারেও ওঁর মতামত নেওয়া হয়েছে।”
গত সপ্তাহে রোহিতের নেতৃত্বদানের প্রসঙ্গে মুম্বইয়ের এক সূত্র ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’কে বলেছিলেন, “একটা জল্পনা চলছে। ট্রেড উইন্ডো শেষ না হলে এবং রিটেনশনের তালিকা প্রকাশ না হলে কিছুই চূড়ান্ত করা হবে না। রোহিত যত দিন চায় মুম্বইয়ের হয়ে খেলতে পারে।”
গত মরসুমে হার্দিকের অধীনে ১০টি ম্যাচে হেরেছিল মুম্বই। শেষ করেছিল নয়ে। তারা ছ’বছর ট্রফি জেতেনি। গত মরসুমের পর থেকেই হার্দিককে অন্য দলে বিক্রি করা হবে বলে জল্পনা চলছে। যদি তা না-ও হয়, তা হলে হার্দিক আবার রোহিতের অধীনে খেলতে রাজি আছেন।
আরও পড়ুন:
বদলে ফেলা হয়েছে মুম্বইয়ের সাপোর্ট স্টাফদেরও। রোহিতদের নতুন ব্যাটিং কোচ হচ্ছেন রবিন উথাপ্পা। বোলিং কোচ করা হয়েছে মিচেল ম্যাকক্লেনাঘানকে। ফিল্ডিং কোচের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ভারতীয় দলের প্রাক্তন ফিল্ডিং কোচ টি দিলীপকে। এ ছাড়া বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছেন ধবল কুলকার্নিকে। তাঁকে ডেভেলপমেন্ট বোলিং কোচ করা হয়েছে। দলের তরুণ বোলারদের দায়িত্ব থাকবে তাঁর উপর। বিশেষ করে যে বোলারেরা ১৮ জনের দলে থাকবেন না, তাঁদের দেখভাল করবেন ধবল। প্রয়োজন হলে যাতে পোলার্ড বা ম্যাকক্লেনাঘান অতিরিক্ত বোলারদের আইপিএলে ব্যবহার করতে পারেন।