তিন দশক পর আবার উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল হবে বার্সেলোনার ঘরের মাঠ ন্যু ক্যাম্পে। ২০২৯ সালের ফাইনালের জন্য ন্যু ক্যাম্পকে বেছে নিয়েছে ইউরোপের ফুটবল নিয়ামক সংস্থা। ২০২৮ সালের ফাইনাল হবে বায়ার্ন মিউনিখের ঘরের মাঠ অ্যালিয়ান্জ এরিনায়।
শেষ বার ন্যু ক্যাম্পে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনাল হয়েছিল ১৯৯৯ সালে। সে বার ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে এগিয়ে গিয়েও হেরে গিয়েছিল বেয়ার্ন মিউনিখ। বার্সেলোনার ঘরের মাঠে সংস্কারের কাজ চলছে। ২০৩০ সালের বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে নতুন করে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে। বিশ্বকাপের আগেই ক্লাব ফুটবলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ আয়োজনের দায়িত্ব পেয়ে গেল তারা। এখনও গ্যালারির তৃতীয় টায়ার এবং ছাদের কাজ বাকি রয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালের মধ্যে সংস্কারের কাজ শেষ হয়ে যাবে। কাজ শেষ হওয়ার পর ন্যু ক্যাম্পের দর্শকাসন হবে ১ লাখ ৫ হাজার।
২০১২ এবং ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনাল হয়েছিল বায়ার্নের ঘরের মাঠে। ফলে তিন বছরের ব্যবধানে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনাল আয়োজনের দায়িত্ব পেলেন বায়ার্ন কর্তৃপক্ষ। বার্সেলোনার মতো ৩০ বছর অপেক্ষা করতে হল না তাঁদের।
উয়েফার বৈঠকে আরও কয়েকটি ফাইনালের মাঠ চূড়ান্ত হয়েছে। ২০২৮ সালে মহিলাদের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনাল হবে ফ্রান্সের অলিম্পিক লিয়ঁর মাঠে। ২০২৯ সালের ফাইনাল আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছে ওয়েলসের কার্ডিফ ন্যাশনাল স্টেডিয়াম। ২০২৮ সালের ইউরোপা লিগের ফাইনাল হবে রোমানিয়ার বুখারেস্টে। ২০২৯ সালের ইউরোপা লিগের ফাইনালের দায়িত্ব পেয়েছে সার্বিয়ার বেলগ্রেডের ন্যাশনাল স্টেডিয়াম। এ ছাড়া ২০২৮ সালের কনফারেন্স লিগের ফাইনাল হবে ইটালির তুরিনে। ২০২৯ সালের ফাইনাল হবে হাঙ্গেরির বুদাপেস্টে।
আরও পড়ুন:
চূড়ান্ত হয়েছে উয়েফা সুপার কাপের ফাইনালের মাঠও। ২০২৭ সালের ফাইনাল আমস্টারডমে এবং ২০২৮ সালের ফাইনালের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কাজ়াখস্তানকে। ২০২৭ সালের ফুটসল চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনাল হবে সুইৎজ়ারল্যান্ডে।