ইস্টবেঙ্গলের পুরুষ এবং মহিলা দল চ্যাম্পিয়ন্স লিগের যোগ্যতা অর্জন করেছে। রবিবার ঘরে এসেছে ১৭তম ডুরান্ড কাপ। এর মাঝে কলকাতা লিগেও ইস্টবেঙ্গলের জয়যাত্রা অব্যাহত। সোমবার কালীঘাট মিলন সংঘকে ১-০ গোলে হারাল ইস্টবেঙ্গলের। ম্যাচের একমাত্র গোলটি করেন মনোতোষ মাঝি।
কলকাতা লিগে আগের দু’টি ম্যাচে ড্র করেছিল ইস্টবেঙ্গল। আবার জয়ে ফিরল তারা। ৭ ম্যাচে ১৭ পয়েন্ট হল তাদের। শীর্ষে থাকা ভবানীপুরের ৯ ম্যাচে ২১ পয়েন্ট। অর্থাৎ ইস্টবেঙ্গল পর পর দু’টি ম্যাচ জিতলে ভবানীপুরকে টপকে যাবে। ভবানীপুর এ দিন রেলওয়ের বিরুদ্ধে ২-২ ড্র করেছে।
ম্যাচের একমাত্র গোলের জন্য ইস্টবেঙ্গলকে অবশ্য ৮৪ মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছে। তবে সুযোগ ঠিকঠাক কাজে লাগাতে পারলে অনায়াসে পাঁচ-ছয় গোলের ব্যবধানে জিততে পারত তারা। আক্রমণ ভাগের ব্যর্থতা, বল পোস্টে-বারে লাগা এবং কালীঘাটের গোলকিপার রঞ্জন সোরেনের ভাল কিছু সেভ না থাকলে অনায়াসে এই ম্যাচ ইস্টবেঙ্গলের পক্ষে আরও বড় ব্যবধানে জেতার কথা। কালীঘাট কয়েক বার আক্রমণ করলেও ইস্টবেঙ্গলের জালে বল ঢোকাতে পারেনি।
আরও পড়ুন:
প্রথমার্ধে কোনও দলই গোল করতে পারেনি। তবে ইস্টবেঙ্গল বেশ ক’টি সুযোগ পেয়েছিল। চাকু মান্ডি, বিজয় মুর্মুদের শট আটকে দিয়ে দলকে বাঁচান কালীঘাটের রঞ্জন। অন্তত তিন-চারটি নিশ্চিত গোল বাঁচিয়েছেন তিনি।
অবশেষে কালীঘাটের প্রতিরোধ ভাঙে ম্যাচের শেষের দিকে। ইস্টবেঙ্গলের কর্নার থেকে ভেসে আসা বল হাতে লাগে কালীঘাটের এক ডিফেন্ডারের। রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন। সেখান থেকে গোল করতে ভুল করেননি অভিজ্ঞ মনোতোষ। পেনাল্টি থেকে দলের পতন আটকাতে পারেননি রঞ্জন। শেষের দিকে আরও একটি ভুল করেছিলেন তিনি। একটি ক্রস থেকে ভেসে আসা বল ক্লিয়ার করতে পারেননি। কিন্তু ফাঁকা গোলেও বল ঠেলতে ব্যর্থ হন ইস্টবেঙ্গলের বিজয়।