ডুরান্ড কাপ ফাইনালে ইস্টবেঙ্গলের কাছে ১-৪ গোলে হেরেছে মোহনবাগান। ম্যাচের পর দলের কোচ থেকে ফুটবলার কেউ সাংবাদিক বৈঠক করেননি। সাজঘর থেকে সরাসরি বাসে উঠে যান তাঁরা। ম্যাচের প্রায় ২৩ ঘণ্টা পরে মুখ খুললেন মোহনবাগানের এক ফুটবলার।
তিনি সাহাল আব্দুল সামাদ। ডুরান্ড কাপে মোহনবাগানের হয়ে সব ম্যাচে ভাল খেললেও ফাইনালে তাঁকে প্রথম একাদশে রাখেননি কোচ পানাজিয়োটিস দিমপেরিস। তার মূল্য চোকাতে হয়েছে চার গোল খেয়ে। সেই সাহাল এ দিন সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, “এই জার্সিটা অনেক কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে গিয়েছে এবং শক্তিশালী হয়ে ফিরে এসেছে।” অর্থাৎ মোহনবাগানও এই কঠিন সময় কাটিয়ে দ্রুত শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসবে বলে আশা করেছেন তিনি।
রবিবার ম্যাচের পর প্রথা মেনে সাংবাদিক বৈঠকে আসার কথা ছিল দিমপেরিসের। কিন্তু অনেক ক্ষণ অপেক্ষা করার পরেও তাঁর দেখা মেলেনি। বেশ কিছু ক্ষণ পরে জানা যায়, তিনি বাসে উঠে বেরিয়ে গিয়েছেন। মোহনবাগান কোনও ফুটবলারও মিক্সড জোনে এসে কথা বলেননি। ফলে তাঁদের প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি। এত ক্ষণ বাদে এক ফুটবলার মুখ খুললেন।
আরও পড়ুন:
এ দিকে, ইস্টবেঙ্গলের কোচ আন্তোনিয়ো লোপেজ় হাবাস জয়ের পর বলেছেন, “প্রথম মিনিট থেকে ফুটবলারেরা যে বিশ্বাস, শৃঙ্খলা এবং আত্মবিশ্বাস দেখিয়েছে তাতে আমি গর্বিত। আমাদের কাছে একটা স্বপ্নের ম্যাচ গেল। অন্যান্য ম্যাচে আমরা হয়তো চার-পাঁচটা সুযোগ থেকে দুটো গোল করতাম। আজ প্রায় সব ক’টা সুযোগেই গোল করেছি। খেলোয়াড়েরা নিজেদের প্রতি বিশ্বাস রেখেছে। সব ফুটবলারকে শুভেচ্ছা।”
ফাইনালে কোথায় দু’দলের পার্থক্য ছিল তা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে হাবাস বলেন, “আজকের জয় গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কারণ মোহনবাগান অনেক শক্তিশালী ছিল। অসাধারণ একটা ফাইনাল খেললাম। এই দলের কোনও বিষয় নিয়ে কোনও ধন্দ ছিল না। তারা একই ভাবে খেলে গিয়েছে। তাই এই স্কোরের যোগ্য আমরা।”