মেয়েদের চ্যাম্পিয়ন্স লিগে রোখা যাচ্ছে না ইস্টবেঙ্গলকে। প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের রাজশাহী স্টার্সকে ৪-০ গোলে হারিয়েছিল তারা। এ বার এক ডজন গোল দিল লাল-হলুদ। বৃহস্পতিবার গুয়ামের দল রোভার্স এফসি-কে ১২-০ গোলে হারিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। তিন ফুটবলার জোড়া গোল করেছেন।
ইস্টবেঙ্গলের পুরুষ দল পরের বছর চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ২-এ খেলবে। তার আগে মহিলারা যে পারফরম্যান্স দেখাচ্ছেন তা থেকে অনুপ্রেরণা পেতে পারেন মহম্মদ রশিদ, প্রভসুখন গিলেরা। এ দিন ইস্টবেঙ্গলের হয়ে জোড়া গোল করেন প্রিয়াঙ্কা, অলিভিয়া এবং আবিনা। একটি করে গোল করেছেন অষ্টম, আবিগেল, সুলঞ্জনা, সিল্কি, অঞ্জু এবং সৌম্যা। এশিয়ার কোনও প্রতিযোগিতায় পুরুষ এবং মহিলা মিলিয়ে এটাই ভারতের কোনও ক্লাবের বৃহত্তম জয়। পুরুষ দলের নজির ভেঙে দিয়েছেন মহিলারা। ১৯৮৫-৮৬ মরসুমের এশিয়ান ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপে ইস্টবেঙ্গলের পুরুষ দল ৯-০ হারিয়েছিল মলদ্বীপের ক্লাব ভ্যালেন্সিয়াকে।
ইস্টবেঙ্গলের গোলের বন্যা শুরু হয় ৬ মিনিটে। লাল-হলুদকে এগিয়ে দেন প্রিয়াঙ্কা দেবী নাওরেম। আট মিনিট পর ব্যবধান বাড়ান অষ্টম ওরাঁও। ২২ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় এবং দলের তৃতীয় গোল করেন প্রিয়াঙ্কা। প্রথমার্ধে ৩-০ গোলে এগিয়ে ছিল ইস্টবেঙ্গল। তবে ব্যবধান আরও বাড়ত যদি ফুটবলারেরা গোলের সুযোগগুলি কাজে লাগাতেন।
আরও পড়ুন:
দ্বিতীয়ার্ধে ইস্টবেঙ্গলকে অন্য রূপে পাওয়া যায়। আগ্রাসী ফুটবল খেলতে থাকে তারা। দশ মিনিটের ব্যবধানে দু’টি গোল করেন অলিভিয়া আনোকে। তার মাঝে গোল করেন আবিগেল আন্তোনেই, সুলঞ্জনা রাউল এবং সিল্কি দেবী। এর পর ছ’মিনিটের ব্যবধানে দু’টি গোল আবিনা আনোমা ওপোকুর। ৭৩ মিনিটে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে ১১তম গোল অঞ্জু চানু কাইনপাইবামের। সংযুক্তি সময়ের তৃতীয় মিনিটে ১২ নম্বর গোলটি করেন সৌম্যা গুগুলথ।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে দুই ম্যাচে ১৬ গোল হয়ে গেল ইস্টবেঙ্গলের। পরের ম্যাচ সাবাহ এফসি-র বিরুদ্ধে। এই ম্যাচেই ঠিক হবে যে ইস্টবেঙ্গল গ্রুপ শীর্ষে থেকে পরের পর্বে যাবে কি না।