২০১৮-য় সোনা পেয়েছিলেন। ২০২৬-এ তাঁর কাছে আবার সোনা জয়ের সুযোগ ছিল। কিন্তু নীরজ চোপড়া জ্যাভলিনে সোনা জিততে পারলেন না। শুক্রবার রাতের লড়াইয়ে শ্রীলঙ্কার রুমেশ পাথিরাগের কাছে সোনা হারালেন তিনি। রুপো পাওয়ার পর নীরজ স্বীকার করলেন, ভয়ে ভয়ে এই প্রতিযোগিতায় খেলতে নেমেছিলেন। রুপো পাওয়ার জন্য একটি কারণকেও দায়ী করেছেন তিনি।
শুক্রবার রাতে ৮৫.৮৩ মিটার ছুড়ে রুপো পেয়েছেন নীরজ। পাথিরাগে ৮৯.৭৫ মিটার ছুড়ে সোনা জিতেছেন। তবে নীরজের মতে, পদক পাওয়ার আগেই তিনি জিতে গিয়েছিলেন। ভয়ে ভয়ে খেলতে নামার পরেও যে এতটা ভাল থ্রো করবেন সেটা তিনি ভাবতে পারেননি।
নীরজ বলেছেন, “প্রত্যাবর্তন ঠিকঠাকই হচ্ছে। তবে ঠান্ডায় আমি ভাল খেলতে পারি না। আমি তো ভারতীয়, তাই এতটা ঠান্ডার অভ্যাস নেই। এত দিন পর পোডিয়ামে ফিরতে পেরে ভাল লাগছে। যে পরিশ্রম করছি তার ফলাফল ধীরে ধীরে পাচ্ছি।”
চোটের কারণে প্রায় এক বছর বাইরে ছিলেন নীরজ। কমনওয়েলথে নামার আগে তাই ভয় ছিল, আবার না চোট পেয়ে যান। সে কারণেই নিজের সেরাটা দিতে পারেননি বলে মনে নিয়েছেন।
আরও পড়ুন:
-
ইতিহাস গড়ে জুডোয় সোনা জয় বাঙালি অস্মিতার, কমনওয়েলথে ভারতের ঘরে পঞ্চম সোনা, পদক নিশ্চিত আরও ছয় ক্রীড়াবিদের
-
কলকাতা লিগে হার মোহনবাগানের, প্রচুর সুযোগ নষ্ট করে কাস্টমসের কাছে পরাজয়, লিগের দৌড়ে পিছিয়ে পড়ল সবুজ-মেরুন
-
বক্সিংয়ে চ্যাম্পিয়ন প্রীতি, জৈস্মিন, কমনওয়েলথে শনিবার শুরুতেই জোড়া সোনা এল ভারতের ঘরে, ট্রিপল জাম্পেও দুই পদক
নীরজের কথায়, “আরও উন্নতি করব। পরের প্রতিযোগিতায় আরও ভাল থ্রো করার চেষ্টা করব। আসলে ১০০ শতাংশ ফিট থাকলে মনের মধ্যে সেই লড়াকু ব্যাপারটা থাকে যে, আমি সব কিছু পেরিয়ে যাব। কিন্তু চোট থাকলে অনেক কিছু ভাবতে হয়। ভয় থাকে মনের মধ্যে। আজও আমি ভয়ে ভয়ে ছিলাম। জোরে দৌড়তে চাইনি। শরীরের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে চেয়েছিলাম। তবে থ্রো খুব ভাল ছিল।”