যুক্তরাষ্ট্র ওপেন শুরুর আগে দর্শকদের ফের এক বার পুরনো দিনের স্মৃতিচারণ করালেন কিংবদন্তি রজার ফেডেরার। দীর্ঘ দিনের প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যান্ডি রডিককে প্রদর্শনী ম্যাচে ৬-৩ হারানোই শুধু নয়, দেখা গেল সেই চিরপরিচির এক হাতে ব্যাকহ্যান্ডও।
২০১৯ সালের পরে প্রথম বার আর্থার অ্যাশ স্টেডিয়ামে খেলতে নামেন ফেডেরার। পেশাদার টেনিস থেকে অবসর নেওয়ার পরেও তাঁর খেলায় ছিল পুরনো ঝলক। পরিচিত ব্যাকহ্যান্ড উইনার, নিখুঁত পাসিং শট এবং দারুণ ভাবে কোর্টের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে দৌড়ে ৩৫ মিনিটেই এক সেটের এই প্রদর্শনী ম্যাচ জিতে নেন ৪৫ বছর বয়সি ফেডেরার। আসল মুহূর্টা আসে ম্যাচের ষষ্ঠ গেমে। ফেডেরারের দুর্দান্ত ব্যাকহ্যান্ড দেখে দর্শকরা করতালিতে ফেটে পড়েন।
নিউ ইয়র্কে তাঁর এই প্রত্যাবর্তন ছিল যথার্থই স্মরণীয়। ২০০৪ থেকে ২০০৮—টানা পাঁচবার যুক্তরাষ্ট্র ওপেনের শিরোপা জিতেছিলেন তিনি। ম্যাচের পরে বলে যান, “নিউ ইয়র্কে ফের এক বার ফিরে দারুণ লাগছে। এখানে বহু স্মরণীয় মুহূর্ত রয়েছে।”
গত বছর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ওপেন শুরু হওয়ার আগে চর্চার কেন্দ্রে উঠে আসছে মিক্সড ডাবলস প্রতিযোগিতা। যার ফর্ম্যাটে আমূল পরিবর্তন করা হয়েছে। ফ্যান উইক বা বাছাই পর্বের সপ্তাহে দু’দিন ধরে চলে এই মিক্সড ডাবলস। ১৬ দলের এই প্রতিযোগিতা এ বারও আকর্ষণের কেন্দ্রে। বিশেষ করে নোভাক জোকোভিচ-আরিনা সাবালেঙ্কা, কার্লোস আলকারাস-সেরিনা উইলিয়ামস জুটি নিয়ে আগ্রহের শেষ ছিল না।
জোকোভিচ ও সাবালেঙ্কা প্রথম রাউন্ডেই বিদায় নিয়েছেন। দুটি ম্যাচের বেশি এগোয়নি আলকারাস-সেরিনা জুটিও। তবে আলকারাসদের নিয়ে থামছে না চর্চা। সেরিনা দেখিয়ে দিয়েছেন, চার বছর কেটে গেলেও তাঁর সার্ভ, কোর্টে নড়াচড়া বা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় একটুও মরচে পড়েনি। আর তাঁর পাশে ছিলেন আলকারাস। যিনি কব্জির চোটে প্রায় পাঁচ মাস পরে কোর্টে নামলেন। আলকারাস পরে বলেছেন, ‘‘সেরিনার সঙ্গে খেলে দারুণ খুশি। প্রথম পয়েন্টেই ডাবল ফল্ট করে বসি। খুব চাপে ছিলাম।”