Advertisement
E-Paper

ধেয়ে আসছে উত্তাল জলরাশি, প্রাণ বাঁচাতে মরণপণ দৌড় শ্রমিকদের! নেপালের আরও এক ভয় ধরানো ভিডিয়ো ভাইরাল

ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, কয়েক জন শ্রমিক একটি নির্মাণস্থলে কাজ করছিলেন। হঠাৎই তাঁরা দেখতে পান প্রচণ্ড গর্জন করে নদীর বুক চিরে এক বিশাল স্রোত ধেয়ে আসছে। খেপা মোষের মতো কর্দমাক্ত জলধারা আছড়ে পড়তে থাকে পাহাড়ি উপত্যকা থেকে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৭ অগস্ট ২০২৬ ১২:৩৩

ছবি: ভিডিয়ো থেকে নেওয়া।

প্রবল গতিতে ফুঁসতে ফুঁসতে এগিয়ে আসছে জলধারা। নেপাল-তিব্বত সীমান্ত থেকে নেমে আসা হড়পা বানে ধুয়ে মুছে গিয়েছে একাধিক গ্রাম। আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে বিপর্যস্ত হিমালয়ের কোলের দেশটি। পাহাড়ের ঢাল বেয়ে উপত্যকার মধ্য দিয়ে ছুটে আসছে কাদা এবং ধ্বংসাবশেষ মেশানো তীব্র স্রোত। সেই দৃশ্য দেখে প্রাণ বাঁচাতে ছুটছেন শ্রমিকেরা। তাঁদেরই এক জনের ক্যামেরায় ধরা পড়েছে সেই ধ্বংসলীলার ছবি। কয়েক হাত দূর থেকে তোলা সেই ভিডিয়োটি সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। যদিও এই ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।

এক্স হ্যান্ডলে ‘সুরজিৎ_ঘোষ২’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, কয়েক জন শ্রমিক একটি নির্মাণস্থলে কাজ করছিলেন। হঠাৎই তাঁরা দেখতে পান প্রচণ্ড গর্জন করে নদীর বুক চিরে এক বিশাল স্রোত ধেয়ে আসছে। খেপা মোষের মতো কর্দমাক্ত জলধারা আছড়ে পড়তে থাকে পাহাড়ি উপত্যকা থেকে। কয়েক ফুট উঁচু কর্দমাক্ত স্রোতটি এলাকাটির ওপর দিয়ে আছড়ে পড়ে এবং নদীর দুই পারে আঘাত হানতে হানতে এগিয়ে আসছিল। বেগতিক দেখে প্রাণ হাতে করে দৌড়োতে শুরু করেন শ্রমিকেরা। কয়েক মুহূর্ত দেরি হলে স্রোতের টানের ভেসে যেতেন তাঁরা।

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, বিপর্যয়ের পর একটি হেলিকপ্টার তাঁদের উদ্ধার করে। অন্য একটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, প্রচণ্ড গতিতে ছুটে আসা বান চোখের নিমেষে ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছে লোহার সেতুকে। সেই ভিডিয়োয় ধরা পড়েছে জনবসতির মধ্যে দিয়ে এগিয়ে চলেছে জলধারা। নদীর জল উপচে পড়ে ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে বাড়িঘর। নেপাল এবং তিব্বতের হিমালয় সংলগ্ন সীমান্ত অঞ্চলে নেমে আসা এই হড়পা বানে অন্তত ১৬৫ জন নিহত হয়েছেন বলে খবর। ২৯১ বিদেশি-সহ অন্তত ৩৮৪ জন পর্যটক নিখোঁজ। হড়পা বানে নেপালের একাধিক গ্রাম এখন কেবল কাদামাখা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে খবর, চিন সীমান্তবর্তী তিমুরে এবং স্যাব্রুবেসী এলাকা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নদীর তীরে বসবাসকারী বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। দুর্যোগকবলিত এলাকায় বন্যার জলে বহুতল ভবনগুলি তলিয়ে যাওয়ার কারণে উদ্ধারকর্মীরা জীবিত মানুষদের সন্ধানে কাদা ও পলি ঘেঁটে সন্ধান চালাচ্ছেন। হড়পা বানের পর থেকে রাসুয়া ও নুয়াকোটেই সবচেয়ে বেশি দেহ উদ্ধার হয়েছে। কাদামাটির স্তূপের নীচে কত জন চাপা পড়ে রয়েছেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

সংক্ষেপে
  • ত্রাণ যেমন পাঠানো হচ্ছে, তেমনই আর্থিক সাহায্যও পাঠানো হচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে।
  • বিপর্যস্ত নেপালকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসছে অনেকেই। বিভিন্ন সংস্থা তো বটেই, ব্যক্তিবিশেষও সাহায্য পাঠাচ্ছেন নেপালে।
  • হড়পা বানে বিপর্যস্ত নেপালে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ল। এখনও নিখোঁজ দেড় হাজারের বেশি মানুষ।

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy