ভালুককে এড়িয়ে চলে বনের তাবড় শক্তিশালী পশুরাও। সাধারণত এই হিংস্র প্রাণীটির মুখোমুখি হলে নিস্তার নেই বাঘ-সিংহেরও। আর জোড়া ভালুক হলে তো কথাই নেই। বন্যপ্রাণীদের মধ্যে কখন লড়াই শুরু হবে তা আগে থেকে বলা কঠিন। সমাজমাধ্যমে এমনই একটি ধুন্ধুমার লড়াইয়ে ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে। একটি বাঘ এবং দুটি স্লথ ভালুক লড়াইয়ের ময়দানে অবতীর্ণ হয়েছে। ভাইরাল হয়েছে সেই ভিডিয়োটি। ভিডিয়োটি ভাইরাল হলেও এর সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে নেটমাধ্যমে। অনেকেই দাবি তুলেছেন ভিডিয়োটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি। যদিও এই ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:
ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় শুরুতে দেখা গিয়েছে, একটি বাঘ এবং একটি স্লথ ভালুক উন্মত্ত হয়ে মুখোমুখি লড়াইয়ে নেমেছে। প্রচণ্ড হিংস্রতা ও শক্তি নিয়ে আক্রমণ করে ভালুকটিকে মাটিতে চেপে ধরে শার্দূলটি। কিন্তু স্লথ ভালুকটি দমে না গিয়ে তার লম্বা ও শক্তিশালী থাবা দিয়ে পাল্টা আক্রমণ করে। কিছু ক্ষণ ধরে একটি তুমুল ও শ্বাসরুদ্ধকর লড়াই চলতে থাকে। এরই মধ্যে জাতভাইকে সাহায্য করে যুদ্ধে যোগ দেয় আরও একটি স্লথ ভালুক। তিন বন্যপ্রাণীর ভয়াবহ লড়াইয়ের টান টান দৃশ্য দেখে মুগ্ধ হয়েছেন নেটমাধ্যম ব্যবহারকারীদের অনেকেই। তবে প্রশ্নও তুলেছিলেন নেটাগরিকদের একাংশ। তাঁদের দাবি ছিল, ভিডিয়োটি কৃত্রিম মেধা বা এআই-নির্মিত। এর পর তথ্য যাচাই করতে বেরিয়ে এল আসল সত্য। তথ্য যাচাই বা ফ্যাক্ট চেক করে দেখা গিয়েছে, দাবিটি । ভাইরাল হওয়া ক্লিপটি এআই দিয়ে তৈরি। বাস্তবে এমন কোনও লড়াইয়ের ঘটনা ঘটেনি। ভিডিয়োটি যে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা হয়েছে তারা পোস্টটি করার সময় উল্লেখ করে দিয়েছে যে এটি এআই কনটেন্ট বা কৃত্রিম মেধা দিয়ে তৈরি বিষয়বস্তু।
যদিও ভিডিয়োটি এমন ভাবে এআই দ্বারা তৈরি করা হয়েছে যে আসল-নকল ফারাক বোঝা বেশ কঠিন। তা সত্ত্বেও নেটাগরিকদের কেউ কেউ ভিডিয়োর ত্রুটিগুলি খুঁজে বার করতে সমর্থ হয়েছেন। এক নেটাগরিকের দাবি, এত দীর্ঘ লড়াই সত্ত্বেও ভিডিয়োয় থাকা যুযুধান পক্ষের শরীর থেকে কোনও রক্ত ঝরে পড়তে দেখা যায়নি। ফলে এর সত্যতা নিয়ে তাঁদের মনে সন্দেহ জেগেছে। বন্যপ্রাণী বিষয়ক ভিডিয়োগুলি প্রায়ই ভাইরাল হয় এবং প্রচুর মানুষ তা দেখেন ও শেয়ার করেন। আর সে কারণেই দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে ভুল তথ্য। এই ভিডিয়োটির ক্ষেত্রেও এমনটা ঘটেছে।