ই-কেওয়াইসি জমা দেওয়ার জন্য গোটা দেশেই চলছে শেষ মুহূর্তের তৎপরতা। ‘আধার ফেসরিড’ অ্যাপে পরিচয় যাচাই করতে গিয়ে রীতিমতো গলদঘর্ম দশা হল এক ব্যক্তির। অনলাইনে কেওয়াইসি জমা দিতে গিয়ে হিমশিম খেলেন দেশের উত্তর-পূর্বের রাজ্যের এক বাসিন্দা। রীতিমতো ‘যুদ্ধ’ করে তাঁর মুখের ছবি তোলাতে হল। সেই ঘটনার একটি ভিডিয়ো এক্স হ্যান্ডলে ছড়িয়ে পড়তেই তা নজর কেড়েছে নেটাগরিকদের। ভিডিয়োটি পোস্ট করেছেন নাগাল্যান্ডের মন্ত্রী তেমজেন ইমনা আলোং। ভাইরাল হয়েছে সেই ভিডিয়োটি। যদিও এই ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
আরও পড়ুন:
ভিডিয়োটি একটি পরিচিত গতানুগতিক ধারণার বিতর্ককে উস্কে দিয়েছে। প্রায়শই মজা করে বলা হয়ে থাকে উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলির বাসিন্দাদের দেখতে একই রকম। ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, কেওয়াইসি-র জন্য একটি স্পষ্ট ছবি তোলার চেষ্টা করছেন এক ব্যক্তি। ব্যর্থ হচ্ছেন বার বার। সাহায্য করার চেষ্টায় গ্রামবাসীরা তাঁর চোখের পাতা ধরে টানছেন। চোখ দু’টি খুলে রাখার জন্য মরিয়া চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন যাতে চোখের মণির সাহায্যে পরিচয় যাচাই করা সম্ভব হয়।
ভিডিয়োটি সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই বহু মানুষ তা দেখেছেন। গুরুত্বপূর্ণ অ্যাপগুলির প্রযুক্তিগত ত্রুটি নিয়েও সরব হয়েছেন নেটাগরিকেরা। হালকা মেজাজের ভিডিয়োটি প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতা নিয়ে সমাজমাধ্যমে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। কারণ ‘ফেসিয়াল রিকগনিশন’ প্রযুক্তি একই এলাকার দু’টি মানুষের মধ্যে পার্থক্য করতে ব্যর্থ হচ্ছে বার বার। ভিডিয়োটি ইতিমধ্যেই সাড়ে তিন লক্ষেরও বেশি বার দেখা হয়েছে। ১০ হাজারেরও বেশি লাইক জমা পড়েছে তাতে। এক নেটাগরিক ভিডিয়ো থাকা ব্যক্তির উদ্দেশে লিখেছেন, ‘‘সমস্যাটা প্রযুক্তির, আপনার নয়। সমস্ত ভারতীয়ের জন্য সব সম্ভাব্য পরিস্থিতি বিবেচনা করে অ্যাপটি তৈরি করা হয়নি।’’