ভালুকের মতিগতি বুঝে চলে বনের হিংস্র প্রাণীরাও। যখন তখন মেজাজ হারিয়ে আক্রমণ শানাতে পারে বিশালাকার রোমশ এই প্রাণীটি। বনের প্রাণীরাও যাকে এড়িয়ে চলে সেই ভালুককে হালকা ভাবে নিয়েছিলেন এক তরুণ। রিল তৈরির নেশায় ভালুকের প্রায় ঘাড়ে উঠে যাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে পুরো পরিস্থিতি পাল্টে যায়। রিল তৈরি মাথায় ওঠে তাঁর। প্রাণ বাঁচানোই দায় হয়ে যায় তরুণের। সেই রোমহর্ষক ভিডিয়োটি সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই ভাইরাল হয়েছে। যদিও এই ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, একটি গ্রামে একটি বিশাল ভালুক ঢুকে পড়েছে। ভালুকটিকে দেখে গ্রামের বেশির ভাগ মানুষ প্রাণ বাঁচাতে বাড়ির ছাদে উঠে পড়েন। কেউ আবার নিরাপদ দূরত্ব থেকে ভালুকটিকে পর্যবেক্ষণ করতে থাকেন। এর পর ঘটে অদ্ভুত সেই ঘটনা। এক ব্যক্তি ছাদে না উঠে বাড়ির উঠোনেই দাঁড়িয়ে থাকেন। সামান্য দূরে দাঁড়িয়েই তাঁর মোবাইল ক্যামেরা দিয়ে ভালুকটির ভিডিয়ো রেকর্ড করতে শুরু করেন। পরিস্থিতি ভয়ঙ্কর দিকে মোড় নেয় যখন ভালুকটির নজর ওই ব্যক্তির উপর গিয়ে পড়ে। ভিডিয়ো করা ব্যক্তি কিছু বুঝে ওঠার আগেই ভালুকটি হঠাৎ আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। সোজা তাঁর দিকে তেড়ে আসে বিকটদর্শন প্রাণীটি। আতঙ্কিত ব্যক্তি প্রাণ বাঁচাতে মরিয়া হয়ে বাড়ির ভিতরে ছুটে যান। কিন্তু হিংস্র ভালুকটি দরজা দিয়ে তাঁকে অনুসরণ করে ভিতরে ঢুকে পড়ে। এর পরের দৃশ্যটি হাড় হিম করা। ভালুকটি ঘরে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে বিশৃঙ্খলা শুরু হয়ে যায়। হাত থেকে মোবাইল ফোনটি পড়ে যায়। আতঙ্কের তীব্র চিৎকার ও আর্তনাদ প্রতিধ্বনিত হতে থাকে। সেই ভিডিয়োটিই সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
ভিডিয়োটি ‘কিরারগুড্ডু’ নামের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করার পর ইতিমধ্যেই প্রচুর মানুষ সেটি দেখেছেন। প্রায় ৮৩ হাজার নেটাগরিক লাইক দিয়েছেন ভিডিয়োয়। প্রচুর মানুষ এতে মন্তব্য করে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। একজন এক্স ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘‘ভিডিয়োটি দেখে আমার আত্মা কেঁপে উঠল। ভিউ এবং লাইকের লোভে মানুষ জীবনের মূল্য ভুলে গিয়েছে।’’ দ্বিতীয় এক নেটাগরিক লিখেছেন, ‘‘ঈশ্বর এই মূর্খ ব্যক্তি এবং তাঁর পরিবারকে রক্ষা করুন।’’