Advertisement
E-Paper

পুরনো মদের কারখানায় লুকোনো ছিল ১০০ কোটির সোনা! নর্দমা খুঁড়তে গিয়ে ‘কুবেরের ধন’ পেলেন তরুণ শ্রমিক

উদ্ধার হওয়া সম্পদের মধ্যে ছিল ৪৯টি সোনার বাট, শত শত সোনার মুদ্রা ও সোনার টুকরো। সোনাগুলি একটি পুরনো ব্রিউয়ারির মালিকের বলে অনুমান করছেন স্থানীয়েরা। ১৯ শতকের ভিলার দেওয়ালের মধ্যে ইট দিয়ে গেঁথে গোপন কুঠুরিতে সোনা সঞ্চিত করে রাখা হয়েছিল।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৮ অগস্ট ২০২৬ ১১:০৭

ছবি: সংগৃহীত।

নিকাশি নালার কাজ করতে গিয়ে যকের ধনের সন্ধান পেলেন এক শ্রমিক। পয়ঃনিষ্কাশনের জন্য পাইপ খোঁড়ার কাজ চলছিল। সেই সময় এক নির্মাণ শ্রমিকই আচমকাই বিপুল পরিমাণ সোনার বাট খুঁজে পান। শুধু তাই নয়, একই সঙ্গে দুর্লভ মুদ্রার ভান্ডার আবিষ্কার করেন তিনি। দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বেলজিয়ামের ব্রাসেলসের প্রায় ৩০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত সিন্ট-গিলিস-ডেনডারমন্ডে ভূগর্ভস্থ পাইপ প্রতিস্থাপনের সময় হঠাৎ করেই এই সোনার খনির হদিস মেলে শ্রমিকদের।

আবিষ্কার হওয়া সোনার মূল্য ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১০০ কোটি টাকা। কোবে নামের ১৮ বছর বয়সি এক কর্মী গত মঙ্গলবার এটি আবিষ্কার করেন। স্থানীয় প্রতিবেদনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, যেখানে খোঁড়াখুঁড়ির কাজ চলছিল সেখানে হঠাৎ কিছু একটা পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। প্রথমে ভেবেছিলেন ওগুলো ১ ইউরোর মুদ্রা। তার পর একটি সোনার বাট নজরে পড়ে। বোঝা যায়, সেখানে লুকিয়ে রয়েছে বিপুল পরিমাণ সোনা।

উদ্ধার হওয়া সম্পদের মধ্যে ছিল ৪৯টি সোনার বাট, শত শত সোনার মুদ্রা ও সোনার টুকরো। সোনাগুলি একটি পুরনো ব্রিউয়ারির মালিকের বলে অনুমান করছেন স্থানীয়েরা। ১৯ শতকের ভিলার দেওয়ালের মধ্যে ইট দিয়ে গেঁথে গোপন কুঠুরিতে সোনা সঞ্চিত করে রাখা হয়েছিল। একটি ব্যাগের মধ্যে লুকোনো ছিল ধনসম্পদগুলি। পুলিশ সেগুলি উদ্ধার করে সরকারি নিরাপদ ভল্টে রেখেছে। তবে সোনার প্রকৃত মালিক কে, তা এখনও নিশ্চিত নয়। এই ব্রিউয়ারিতে মদ তৈরির কাজ ১৮৯৯ সালে শুরু হয়। ১৯৭০ সালে বন্ধ হয়ে যায় মদ তৈরির কারখানাটি।

পূর্ব ফ্ল্যান্ডার্স প্রসিকিউটর অফিসের হ্যানে ওলেভিয়ার জানান, তদন্তকারীদের প্রথমে নিশ্চিত করতে হবে যে উদ্ধার হওয়া সোনা চুরি করা সম্পদ নয়। এর সঙ্গে কোনও অপরাধের যোগসূত্র নেই। তিনি বলেন, এই বিপুল সম্পদের দাবিদার কারা হবে তা নিয়ে জটিল বিরোধ তৈরি হতে পারে। সম্ভাব্য দাবিদারদের তালিকায় রয়েছেন নির্মাণকাজের ঠিকাদার, সমাজকল্যাণ সংস্থা ও ব্রিউয়ারির মালিকের পরিবারের বংশধরেরা। বেলজিয়ামের আইন মতে, গুপ্তধনের প্রকৃত মালিককে দাবির সুযোগ দিতে অন্তত পাঁচ বছর অপেক্ষা করতে হয়।

Belgium gold

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy