রিল তৈরির নেশায় মানুষজন নানা রকম কাণ্ডকারখানা করেন আজকাল। অনেক সময় প্রাণ যাওয়ার বা গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনারও খবর পাওয়া যায়। তবে সম্প্রতি এক তরুণী এমন এক কীর্তি করলেন, যা দেখে নিন্দায় মুখর হয়েছে নেটপাড়া। ভিডিয়ো বানানোর জন্য একটি অ্যাম্বুল্যান্সকে মাঝরাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে বাধ্য করেন তিনি। সে ঘটনারই ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমে। ঘটনাটি জয়পুরের।
সংবাদ প্রতিবেদন অনুসারে, এক হৃদ্রোগী ছিলেন ওই অ্যাম্বুল্যান্সে। যানজটে পড়ে তাঁর শারীরিক অবস্থার কোনও অবনতি হয়েছিল কি না, তা যদিও ভিডিয়ো থেকে জানা যায়নি।
আরও পড়ুন:
ভাইরাল হওয়া ভিডিয়োটিতে দেখা গিয়েছে, রাস্তায় গাড়ি থামিয়ে তর্কাতর্কি শুরু করেছেন এক তরুণী। গাড়ির সামনের দরজা খুলে নানা কথা বলছেন তিনি। তাঁর হাবভাব দেখে মনে হচ্ছে তিনি বেশ বিরক্ত। ভিডিয়োয় অ্যাম্বুল্যান্সের শব্দ শোনা যাচ্ছিল। ক্যামেরায় ধরা পড়ে, তরুণীর ওই কীর্তির জন্য পর পর দাঁড়িয়ে পড়েছে দু’চাকা-চারচাকা। এগুলির মধ্যে একটি অ্যাম্বুল্যান্সও রয়েছে।
আরও পড়ুন:
জানা গিয়েছে, ভিডিয়ো বানাচ্ছিলেন ওই তরুণী। সে কারণেই এমন কাণ্ড তাঁর। তাঁর গাড়ির ঠিক পিছনে থাকা গাড়িটির ড্রাইভারের সঙ্গে ঝামেলায়ও জড়াতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। হয়তো তরুণীর এই আচরণের জন্য প্রতিবাদ জানানো হয়েছিল, সে কারণেই উল্টে তর্ক জুড়ে দেন তিনি। অথচ, সম্পূর্ণ দোষ তাঁরই ছিল। ভারতীয় আইন অনুসারে, এমন কাজ দণ্ডনীয় অপরাধ। মোটা অঙ্কের আর্থিক জরিমানা তো বটেই, কারাদণ্ডেরও বিধান রয়েছে। যদিও ওই তরুণীর বিরুদ্ধে কোনও আইনি পদক্ষেপ করা হয়েছে কি না, এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তা জানা যায়নি।
আরও পড়ুন:
‘হুকনিউজ়ফিড’ নামের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডল থেকে ঘটনাটির ভিডিয়ো পোস্ট করা হয়েছে। যদিও ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
লক্ষ লক্ষ বার দেখা হয়েছে সেটি। তরুণীর কাজ দেখে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন বহু সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারী। তাঁর কড়া শাস্তির দাবি জানিয়েছে নেটপাড়া। এক জন আবার লিখেছেন, “তরুণীর লাইসেন্স বাতিল করে মোটা অঙ্কের জরিমানা করা হোক।”